দুখিত দিগন্ত জাগে হিম কাকজ্যোৎস্নার আকাশে
শাল পিয়াল তমালের তলে—আঁকড় বৈচির ঝোপে
আদিবাসী মানুষ ঘুমন্ত
এই গ্রামে ক্ষয়ে ক্ষয়ে বাঁচে
লোভনীয় পরপার চিরকাল স্তব্ধ রয়ে গেল
পাহাড়তলীর রুক্ষ বুকে।
ফসলের উদার তরঙ্গে
ডানা ভাঙা কালো পায়রারা ঘুমিয়েছে
প্রান্তরের কাঁধে মাথা রেখে—
পৃথিবীর এক কোণে ফুলমণি মেঝেনের ছেলে
পাথুরে রোদ্দুরে
প্রাণপণ খেলে
গ্রীষ্মের দুপুরে
পাগৈতিহাসিক দ্বীপের নিভৃত জলে
পরিযায়ী পাখি
ধ্যানমগ্ন হয়
এখানের শালিখের সাথে, মধ্যরাতের নদীতে
অদৃশ্যের সাথে ঘুরে ঘুরে নেচে ওঠে গান গায়
অলৌকিক সুরে
হলুদ সন্ধ্যার নির্জন প্রবাহে পূর্বপুরুষের
সমাধি চূড়ায় আলো জ্বেলে
সেইসব মানুষেরা দেখে
ধূলো পায়ে পথ হেঁটে বিবর্তন আসে
ভাঙাচোরা পথে
ব্যস্ত নগরের কোলাহলে বেদনার
নীল রেখা ভাসে
একাকী জাগরী হেমব্রম ঘরে ফেরে
মধ্যরাতে অনন্তের অস্তিত্বে ফুলের রেনুগুলি
ভেসেছে জোড়ের শান্ত জলে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem