বিকেলের শেষ রোদ গায়ে মেখে পাখিরা ফিরছে
নিজের বাসায়, দূর-মহাশূন্যে চুম্বন ছড়িয়ে
কান্নার অতীত সুর ভালোবেসে তারা ফিরে আসে―
পাতাঝরা বাঁশগাছে রক্তবীজ স্বপ্ন বুনে দিতে।
বিস্ময়ে শান্তির এই দৃশ্য দেখিসন্ধ্যার আঁধারে
আমার রক্তাক্ত জীর্ণ তন্তু সুপ্রাচীন সুড়ঙ্গের
ভিতর নিজেকে খোঁজে― সারারাত শীতের অরণ্যে
মেঘের পাহাড়ে তারপর সব নীরবতা ভেঙ্গে
সিন্ধুর যুবতী সন্ধ্যা বৃক্ষলতা নুপুর বজায়
আমার নিভৃত বুকে, মনে পড়ে গুহার ভিতর
অন্ধকার কুয়াশায় ঢাকা তোমার কুমারী মুখ
পুরানো মাটির বন-গন্ধে ভরা আমাদের গ্রামে
অনার্য দ্বীপের জলে পানকৌড়ি শালিখের সাথে
একদিন আমাদের কেটে গেছে শতাব্দীর রাত
যুবতী রাত্রির সেই অঙ্গরেখা বিদ্ধ করে আজ
মাথার ভিতর ভাসে এই অন্ধকারে ইতিহাস
দুঃখিত পাথুরে নদী শস্যক্ষেত আকাশে আকাশ―
এখানে আমার মিরফিন রাতে দেহজ-নির্যাসে
নির্বাসিত রক্তকীট প্রাচীন অস্তিত্বেমুক্তি পায়
বর্নোজ্জ্বল জনস্রোত থেকে ছুটি আমার কবরে
আমার নিভৃত বুক এখানে একান্ত অন্ধকারে
তোমার কুমারী বন্য মুখে জেগে উঠে বারবার―
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem