আমার প্রিয় কবি সৌমেন চট্টোপাধ্যায়ের একটি কবিতা ' আত্মঘাতী স্মৃতিজল ' পড়ার পর কেন জানিনা আমার মধ্যেই মোচড় দিয়ে উঠল, সে কবিতার নিজস্ব অক্ষাংশ অথবা দ্রাঘিমাংশ আছে, নিম্নচাপ নেই, সরলবর্গীয় উদ্ভিদ আছে , বাইল্যাটারেল লাইন নেই অথচ তার একটা হৃদস্পন্দন আছে, আত্মার শরীর আছে, শরীরের ভেতর মেটাফোরিক আত্মা আছে, জাগতিক মুহুর্তরা আছে । আমি সেই কবিতা পড়ার পর একদম আমার নিজস্ব অনুভূতি গুলো ব্যক্ত করলাম মাত্র ।
মায়াবী জীবনের গর্ভ ছেড়ে যে হলুদ সূর্যাস্তেরা নরম বাসব জন্মবীজ এঁকে দিতে পারে, তারাই আবার নীল শুক্রকীটের নক্ষত্র পিঠে বসে অমৃতলোকের গান গেয়ে ওঠে
কবি নিজেই আদম ও সঙ্গমময় নদীপথের প্রাচীন বৃত্তান্তের গান লিখে চলেছেন কবিতা নামক আত্মঘাতী স্মৃতিজলের ভেতর । কবি সৌমেন চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা পড়তে পড়তে আমি একটি চাঁদ গোলা জলে ডোবানো বাঁকা নদীর অবয়বের কথা ভাবছিলাম, যেখানে এইমাত্র কেউ দাহ পর্ব সেরে একমুঠো ছাই শরীরের অসংখ্য জীবাশ্ম পুরুষ নিয়ে ঘরে ফিরে যাচ্ছে কপাল ভর্তি করে। আবার সে প্রাচীন কৃষ্ণগহ্বরের নীল বিষাক্ত ঘরে ঢুকে যায় । নিজের বুকের উপর দাঁড়িয়ে নাচতে শুরু করে নটরাজ, সেখানে মায়াবী রঙের নিজের একটা কাল্পনিক রেখা চিত্র আছে কেবল ।
...
Read full text