আমার হিয়ার সব অংশ জুড়ে আছ তুমি
হে, পাহাড়।
তোমায় আমি খুব ভালোবাসি
সদা শান্ত হয়ে থাকো তুমি
কখনও তোমায় অশান্ত হতে দেখিনি।
তোমায় দেখে মনে হয়
তুমি সদাই ধ্যানে ডুবে থাকো
কিন্তু কা'র ধ্যান করো তা জানা নেই।
তুমি সবসময়ই চুপচাপ থাকো ---- এত চুপচাপ ভাবা যায় না ---- তবে শব্দ বলতে ঐ দূর থেকে ভেসে আসা কোন্ এক পাখির ডাক...।
আমি বড়ো উদাস হয়ে যাই যখন দেখি
আকাশ থাকে নীল
আর মাঝে মাঝে ভেসে আসে
সাদা টুকরো টুকরো মেঘ ----
তারা তোমার গায়ে ঢলে পড়ে।
সে কী অপরূপ দৃশ্য!
তোমার অরণ্যানী সর্বদাই গহন
তোমার পরিবেশ এতই নিভৃত
যে সত্যি আমি মোহিত হয়ে যাই তোমায় দেখে দেখে।
এত শান্ত এত চুপচাপ
কোথাও সেরকম কোনো সাড়াশব্দ নেই।
তোমার দিকে তাকিয়ে এই সবকিছু চিন্তা ক'রলেই আমার মন যেন তোমার মধ্যেই আটকে যায়
আর বেরোতে চায় না,
তোমার নিবিড় বন
তোমার চূড়ার নয়নলোভন দৃশ্য...
এসবের মধ্যেই আমার মন বন্দি হয়ে যায়
আর সে কিছুতেই বেরোতে চায় না ---- তুমি সাক্ষাৎ দেবতা,
দেবতা না হ'লে মানুষের সঙ্গে
এত গভীর সম্পর্ক হবে কীভাবে?
তুমি প্রভাকর, রজনীকর, গগন, পবন
সবাইকে জিজ্ঞাসা করো
এমনকি তোমার আদরের ঝরনাকেও
জিজ্ঞাসা করো
তারা বলে দেবে ---- আমি তোমায় ঠিক কতটা ভালোবাসি
কারণ ওরাও বোঝে আমার এই ভালোবাসার কথা।
তোমায় এখন যেমন ভালোবাসছি
আমার অভিলাষ সারাজীবন তোমায় এভাবেই ভালোবেসে যাব।
---- অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী
৭/৩/২০২৬
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem