এক জীবনের আলো
একদলা অন্ধকার ছিটকে এসে
লাগল যখন চোখের তারায়,
মনে হল,
পাথরের চোখ দিয়েও মানুষ দেখতে পায়।
অস্থির চোখে ঘুরে বেড়ায়
পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে,
উত্তরের শেষ তারাটা
ভোরের অন্ধকারকে সঙ্গে করে
পৌঁছে যায় দক্ষিণের অন্তরে,
হয়তো যায়,
যায় বলেই কনকচাঁপার ছোঁয়ায়
উঠে আসে বুকের স্পন্দন,
সরাসরি এক আকাশ হয়ে যায়
প্রতিটা কোষ,
যেন তারের ঝংকার তুলে
কেঁপে ওঠে প্রেমিক আলো।
অনেক বছর পর ছাদের শেষে দাঁড়িয়ে
কনকচাঁপা তারা বোঝায় --
আলোর গভীরতার ছন্দে
কোন কোন তারা এগিয়ে পিছিয়ে যাচ্ছে,
পৃথিবীর শরীর থেকে মানব শরীরে।
এখন ব্যাপক ঝড়; ঘোরালো টর্নেডো
পৃথিবীর শরীরটাকে দুমড়ে মুচড়ে
মানুষের শরীরে প্রবেশ করিয়ে দিচ্ছে।
কনকচাঁপার প্রেম
এখনো কি, এখনো অবশিষ্ট আছে?
হয়তো আছে,
তাই তো বয়স হয়ে গেলেও
এক হাতের চৌহদ্দির মধ্যে
ও আমাকে আগলে রাখে পৃথিবীর মতো,
নইলে এই পৃথিবীর আর দাম কতটুকু,
এই আছে,
আবার নাও তো থাকতে পারে অকস্মাৎ।
-------------------------
© সঞ্জীব সাহা
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem