কত যে শ্রাবন আমি দেখেছি মোর আঁখিতে ।
কত যে শ্রাবনে আমি ভিজেঁছি ইচ্ছেতে, অনিচ্ছেতে ।।
কত যে শ্রাবনে আমি গান গয়েছি সুরেতে অসুরেতে ।
কত যে শ্রাবনে আমি বেরিয়েছি আপন আনন্দেতে ।।
...
জীবনের শ্রাবনধারা
কত যে শ্রাবন আমি দেখেছি মোর আঁখিতে ।
কত যে শ্রাবনে আমি ভিজেঁছি ইচ্ছেতে, অনিচ্ছেতে ।।
কত যে শ্রাবনে আমি গান গয়েছি সুরেতে অসুরেতে ।
কত যে শ্রাবনে আমি বেরিয়েছি আপন আনন্দেতে ।।
কিন্তু সেই শ্রাবন ছিল শুধু শ্রাবনেরই মতো ।
আর আমি ছিলাম শুধু আমারই মতো ।।
তোমার প্রেমের ধ্বনি যখন প্রবেশ করিল মোর কর্নকুহরে ।
শ্রাবন তখন পাল্টে গেল তার নিজস্ব ভঙ্গিমাতে ।।
তখনও শ্রাবন এসেছিল এখনও শ্রাবন আসে ।
তবে কি জান,
তখনের শ্রাবন ছিল মুক্ত বাতাসের ন্যায় ।
আর এখনের শ্রাবন হলো মুক্ত আফিঙের ন্যায় ।।
এসে তুমি বলেছিলে শ্রাবন ভালো লাগে তোমার ।
আমিও তখন বলেছি তোমাকে ভালো লাগে আমার ।।
ডেকেছ তুমি আমায় শ্রাবনে ভিঁজিতে এক সঙ্গে ।
আমিও পারলাম না তোমার সেই ডাকে সারা না দিয়ে থাকতে ।।
গেলাম আমি তোমার কাছে শ্রাবনে একসঙ্গে ভিঁজিতে ।
তখনও কি আমি জানিতাম,
শ্রাবনের ধারায় ভেঁজা তোমার শরীর আকৃষ্ট করিবে আমাকে ।।
আমি কি জানিতাম,
শ্রাবনে ভেঁজা তোমার শরীর নেশাগ্রস্থ করিবে
আমাকে ।।
কাছে এসে তুমি বলেছিলে জড়িয়ে ধরতে তোমাকে ।
জড়িয়ে ধরে তুমি বলেছিলে তোমার গোলাপের ন্যায় ঠোঁটে চুম্বন করিতে ।।
এর ই মাঝে যখন আমার হস্তস্পর্শ হলো তোমার উঁচু দুই ভূমিতে ।
হারিয়ে গেলাম আমি তোমাকে নিয়ে এই শ্রাবনের ধারাতে ।।
তখনও কি আমি জানিতাম,
শ্রাবন আমার পাল্টে দেবে জিবন, তার নিজস্ব ভঙ্গিমাতে।।