মনে হয় আমাদের প্রত্যন্ত প্রদেশে
জনশূন্য অপ্রসন্ন প্রান্তর ছিলোনা কোনদিন
ধূ-ধূ মাঠে নিজের সন্তান
রেখে চলে গেছি কতবার!
প্রান্তরে প্রান্তরে সেই প্রাণ বৃদ্ধ হয়েছে গভীর
হাহাকার হুহু অন্ধকারে
সময়ের অশরীরী ঘুমন্ত যন্ত্রণা,
রক্তবীজে হত্যার বেদনা বেঁচে আছে চিরকাল
দেখি জন্ম ও মৃত্যুর মাঝখানে ছড়ানো দিনের
ব্যাকুলতা নিয়ে,
সংঘাতে সংঘাতে উর্বর প্রবৃত্তি গুলি
রোদ্দুরে তুলেছে সেই মুখ...
নিস্তব্ধতা আর তার ভিতর বিষন্ন
শীতের রাত্রিতে ক্ষত বিক্ষত শরীর
শেকে নিয়েছিলো তারা নিজস্ব আগুনে।
ক্ষুধার্ত নদীর মতো বিস্ফারিত মুখে
জলের সন্ধানে কোন একদিন তারা
উড়ে গিয়েছিলো
পাহাড়তলীর ঝর্নাদেশে...
দূর নক্ষত্রের
আলোয় স্পন্দিত হয়েছিলো সেইসব
সন্তানের করোটি কঙ্কাল...
নিভৃতে তাদের ছুঁয়ে আছে
চিরকুয়াশার মহাকাল
পশ্চিমে সন্ধ্যার শেষে কোন
শান্ত পরপার আছে কিনা
আজো আমাদের জানা নেই—
শুধু মনে পড়ে শীর্ণ নির্জন নদীটি
জ্যোৎস্না রাতে ফিরে যেতে চেয়েছিলো জন্মের শিকড়ে...
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem