রূপ কাহিনীর মরমী পথের
সেই রাখাল আকাশে নিজেকে ছড়িয়ে দিয়ে
নক্ষত্রের জীবনের সাথে এক হতে চেয়েছিলো
শেষ সূর্যাস্তের স্মৃতির নিবিড় ধূসর মাঠে
মাটির ব্যাকুল ব্যাথা যন্ত্রণা বেজেছে তার বুকে
ভালোবেসে জ্যোৎস্নার চূড়ান্ত রাতে
ওতপ্রোত হ'য়ে আছে পৃথিবীর মৃদু শান্ত রসে
মৃত্যুহীন হতে চেয়েছিলো
কবিতার মধ্যরাতের শব্দের মতো -
অঘ্রানের সোনালী হলুদ ধানশীষে
দেখেছিল শুন্যতার বুকে এক পোয়াতি জীবন
জীবনের স্বাদ আনে পাড়াগাঁয়ের সন্ধ্যার হাহাকারে
রাতের নির্জন পুকুরের
জলজ গন্ধের বাতাসে
খেলেছে পূর্বপুরুষের অতীত সোহাগগাথা
পৃথিবীর আকাশ ভরাট করে
অরুণাভ সূর্য গড়েছে প্রথম ভোর
শাল পিয়ালের বনে
ক্ষীণগর্ভা সেই জোড়ের জলের
শান্ত চলন পথের ছায়া
রাখালের বুক ছেয়ে আছে
দিগন্তের পরপারে মৃত্যু বেদনার
নীল রেখাতে বটের বনের
আদিম স্বরলিপি- সুরে প্রানের আকুতি
সেখানেও রয়েছে, উড়েছে শীতের ছায়ার গভীরে
সুদীর্ঘ কুয়াশার রাতে
অন্ধকারে মাতৃজঠরের তন্তুজালে
নক্ষত্র বৃষ্টির রাতে
ফিরে ফিরে আসে সে রাখাল
জীবনকে জীবনের স্বাদ দিতে
মরমী পথের মেঠো সুরে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem