আকাঙ্খার ধূলো
সৌমেন চট্টোপাধ্যায়
নিজের সকল শুন্যতা পূরণ করে
বুঝেছি পার্থিব পৃথিবীর
সকল পথের আকাঙ্খার ধূলো তোমার শরীরে সঙ্গীতের মতো বাজে...
কাঁকুরে মাটির নিঃসঙ্গ পথের মতো
আঁধারে রয়েছো তুমি আমার অন্তরে
ব্যক্তিগত দুঃখ গুলি দূরের দিগন্তে
ছুঁড়ে কোনো এক রূপালী আলোর রাতে
হঠাৎ অঝোরে এসে ছিলে
অনেক ক্লান্তির পর মাথা রেখে ঘুমিয়েছি বিপন্ন সময়ে
শ্বেতাভ পদ্মের মতন কোমল স্তনে
ভেঙেচুরে পতঙ্গের মতো
উড়ে গেছি চির আত্মীয় বিস্মৃত দ্বীপে, পানকৌড়ির মতন
ডুবেছি নির্ভীক
ঘুমন্ত নদীতে
উড়েছো রক্তের প্রবাহে রূপসী রাতে...
স্বেচ্ছাবৃত শৃঙ্খলের বন্ধনে যখন
বিব্রত হয়েছি সেইদিন তুমি ছিলে মধ্যরাতের কাঙ্ক্ষিতা।
ভেসেছে তৃষ্ণার্ত শূন্য মন্দির অনন্ত যোনি জলে
নিঃশব্দে তোমার দ্বীপে এই ধুলি ধূসর জীবন
গোপনে হারিয়ে
গিয়েছে কখন
নিতম্বের আদি ছায়াতে খেলেছে নিজ সত্তা উজ্জ্বল শরীরে ছুঁড়ে দিয়ে-
ফসলের ভরা ক্ষেতে গভীর মাটিতে।
হিমঘরে যতবার গোপনে হারিয়ে গেছি, তুমি
এনেছো রোদ্দুর মাথার শিথানে নীল মৃত্যুকে উপেক্ষা করে।
অচেনা ধ্বংসের বহু ছায়া
ভিতর যখন কাঁপিয়েছে
তোমাতে চেয়েছি মিশে যেতে
উষ্ণ অন্ধকার
শরীর প্রবাহে
বিপন্ন সময়ে কাঁকুরে মাটির এই
নিঃসঙ্গ পথের
প্রাচীন ধুলোতে
অলৌকিক সঙ্গীতের সুরে
তুমি বেজে ওঠো -
রূপালী আলোয় আমরা অনেক পথ হেঁটে যাবো
ব্যক্তিগত দুঃখ গুলি ভুলে
নিজের সকল শুন্যতা পূরণ করে
বুঝেছি পার্থিব পৃথিবীর
সকল পথের আকাঙ্খার ধূলো তোমার শরীরে সঙ্গীতের মতো বাজে...
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem