সব দিয়ে গেলাম তোমাকে
নিজের মতন করে বেঁচে নাও
এই জীবনের সবটুকু
শূন্যের ভিতর সকল শুন্যতা
নিয়ে চলে যাবো একদিন
তুমি তোমার দু'চোখে
দেখে নাও এই পৃথিবীর
অস্তিত্বে মৃত্যু ও শোক
পাশাপাশি রয়েছে কিভাবে
দুঃখ তো তোমাকে একান্ত নিজস্ব
ক'রে শুধে নেবে ঋন
অনুতাপে ভেঙে পড়ি
তারপর—
শালবনের সুরের কঙ্কালে
নিজেকে খুঁজি
আত্মজ্ঞানহীন নেশাতুর দেহ
রাত্রির দেহের ভেতর ছড়িয়ে যায়
মহাকাশের সমূহ প্রতিধ্বনি
চারপাশ ঘিরে রাখে
সেই অমল রাত্রিতে
আমার সকল স্নায়ু
মধ্যরাতে বারবার
নিকোটিন চায়
জেগে উঠে বলে
রাত্রি তুমি বেজে ওঠো
পাথরের বুকে
অসীম শূন্যের সঙ্গীতে;
গভীর মৃত্যুর শরীর থেকে
তুলে এনো
সেই রাত্রির প্রহর
যেখানে আমার সমগ্রতা
পূর্ণতা পেয়েছে একদিন
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem