অপার্থিব পৃথিবীর এক কোনে দাঁড়িয়ে দেখেছি
স্মৃতির ভেতর স্বপ্নবীজ গুলি এই
জীবনের রুক্ষদেহে চুয়ে চুয়ে পড়ে
নিঃসঙ্গতা ও তার অন্তরে
নিজেকে নিক্ষেপ করে বুঝেছি বেদনা
আর তার রূঢ় নিস্তব্ধতা গ্রাস করে
অন্ধকার অরণ্যের দিকচিহ্নহীন পথিককে
দেখেছি রাত্রির কালো ডানার ভেতর
এক মধ্যরাতে
নিমীলিত নদী বয়ে যায়
প্রার্থনার স্তবকটি শেষ হলে দেখেছি নির্জন
চিতার আগুন নক্ষত্রের আলো এসে স্পর্শ করে
মনেপড়ে আমার জন্মের মেঘকথা
যে জীবন সূর্যের গভীরে একদিন ছুটেছিল
সে আজ অনেক অভিজ্ঞতা
নিয়ে বলে গেলো
হে আকাশ আমি তো ফিরিনি শূন্য হাতে
দীর্ঘ মহাশূন্যের অতলে উদাসীন
সূর্যের ডুবন্ত রূপ পড়ে আছে প্রান্তরের দেহে
একদিন আমাকে সর্বস্ব
দিয়ে যে গ্রহণ করেছিল
সেই ভাঙা মৃত নদীগান
দুর্লভ মাটির চেতনা অন্তরে নিহিত রয়েছে
আদিম বৃষ্টির ধারা তাকে
বয়ে নিয়ে গেছে কতবার
শুধু চেতনার
স্পর্শ দেবে বলে—
বয়ে নিয়ে গেছে অনন্তের মর্মতলে—
ছায়ার ভেতরে আনমনে
শীর্ণখেয়াঘাট ফেরালো দুহাত ভরে
জ্বলন্ত চিতার আগুন নিভেছে ক্ষীণ মধ্যরাতে
যখন ভস্মের
ছাই এর মধ্যে নিঃশব্দে রাত্রির আলো
দূরের নক্ষত্র হতে এসে
দেহের সকল অস্থি আলোকিত করে
শালিনীর জোড়ে দেব-বাতাসের সাথে
আমাকে গ্রহণ করেছিল আমার ব্যাথার দিনে
নীহারিকা ছায়াপথ আর সমগ্র অস্তিত্ব জুড়ে
গানহীন দুঃখিত নদীর
শীয়রে দাঁড়িয়ে থেকে বিমূর্ত শরীর
এইসব দেখেছিল অপার্থিব পৃথিবীর সিক্ত এককোনে
ধুলি ওড়া বিনম্র আলোয়
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem