মধ্যরাতে এক দ্বীপপুঞ্জের অতীত
আলো জ্বলে আমার অন্তরে
অসংখ্য প্রাচীন প্রদীপে বিমূর্ত সেই
জল ঘেরা গ্রাম
বারবার ফুটে ওঠে নিভে যায়, হিম
চেতনার অন্তর বাতাসে
দেখেছি সেখানে দেহে তার
কোনো কোলাহল নেই শুধু
নরম নীরব পাখিরা দূরের জ্যোৎস্নার ভেতর
হতে ছুটে আসে…
দিকভ্রস্ট আত্মারা নিজের
কথা ব'লে যায়
জলের সীমানা ঘুরে ঘুরে…
অনেক স্বপ্নের বীজ সাথে
করে এনে তারা
নতুন মাটিতে
প্রাণ বুনে দিয়ে
কুসুমের কলঙ্কের শান্ত চিহ্ন গুলি
মুছেছে নিজের মতো করে
স্নায়ুর সকল গ্রন্থি গুলি খুলে গিয়ে
সেদিনের সেই
আলোর অস্তিত্বে অনুভবে শিহরণ জেগেছিল সেইসব মনে…
সুদূরের আকাশে মুক্তির
স্বাদ পেয়ে ফিরে ফিরে আসে
তারা জ্যোৎস্না রাতে
আমার জীবন মধ্যরাতের বিমূর্ত
দ্বীপে সেই গ্রাম খুঁজে শালিনী নদীর ছোট্ট বুকে
মানুষ শান্তির প্রদীপ সেখানে
জ্বেলে গেছে বহুকাল আগে
তৃষ্ণার্ত বুকের নিভৃতে দুঃখেরা যেখানে আলোর
পথে হেঁটে ছিলো প্রাণের অনেক স্বাদে
মনেহয় কবিতার এই দেশ
অলৌকিক অক্ষরে আমাকে
একদিন ভ'রে ছিলো
দখিনা বাতাসে
এখানে এখন নরম পাখির বুকে
জ্যোৎস্নার ভেতর
অস্তিত্বের শিহরণ জাগে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem