পাতাল ছুঁয়েছে শিকড় জন্মের ভূমি ভালোবেসে
জলস্রোতের ভিতর গিথেছো প্রাণ গভীর নিদ্রার দেশে...
পৃথিবীর মাটির আকুল প্রাণের জীবনধ্বনি
অতিদূর প্রান্ত হতে ভেসে এসে
সকল বৃক্ষের মূল স্পর্শ করে ভিতরেও বাইরে গেয়েছে সৃষ্টির সুরের গান এইভাৱে
অমলিন মায়াবী ছায়ার কোলে দিয়া যাও নিজেকে নিঃশেষ করে
পশ্চিমের সূর্যাস্তে স্বজন হারার দুঃখের লোকগীতি ভেসেছে সেসব বৃক্ষতলে
সৃষ্টির বেদনা সকলের মন বিকশিত করে দিগন্তে ফুটেছে ফুলের সমূহ ঐশ্বর্যে...
সেখানে ধানের কুসুমের মতো পুঞ্জ পুঞ্জ মেঘের আড়ালে
জীবনও মৃত্যুর খেলা স্ব্বাবাভিক মনে হয় সময়য়ের স্রোতের অবিচ্ছিন্ন ধারার আনন্দে...
বন্ধিশালায় নিক্ষিপ্ত মানুষের আর্তনাদ আকাশ বিদীর্ণ করে দুঃখবৃষ্টি ঝরেনা এখানে
প্রলয়য়ের অগ্নি নেই -আছে শান্তিরসহজ প্রদীপের আলো,
প্রতিটি দহনে যার শরীরবিস্তার করে দিনেররোদ্দুরে -প্রশান্ত আলোর মেলা
কচি পাতার নরম খয়েরি ডানার প্রতিবিম্ব ভাসে
কোনো এক কেন্দ্রীয় স্রোতের জীবনের জলজ অন্তরে
কৃত্তিকা নক্ষত্র ডাকে জোৎস্না রাতে
তারপর আমার দেহের রসে মিশে গিযে প্র্রাকৃত প্রবাহে বয়ে যায় অনন্তের
চির অম্লান আনন্দ বেদনার অতিদূর দিগন্তের সৃষ্টির সুরের দেশে...
যেখানে পাতাল ছুঁয়েছে শিকড় জন্মের ভূমি ভালোবসে....
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem