হাহাকারের প্রগাঢ় ব্যাথা
ছুটে যায় দূরের আকাশে
প্রতিস্রুতির ভাঙন আর স্বপ্নের দুর্বার ক্ষয়
ক্রমশ নিঃসঙ্গ করে
সন্ধ্যার আকাশ নিভে গেলে
সেই নিভন্ত দ্বীপের কথা মনে পড়ে
চেতনার একাকী কম্পন
বিন্দু বিন্দু গড়েছে আমাকে
কখনো ভোরের আলো
আশাহীন করেনি দুর্দিনে
সৌম্য দর্শন প্রপিতামহের অতীত ছিল, অতীতের কান্না ছিল
আর ছিল বেদনার অন্তরে বিপন্ন আত্মজেরা
রাঙা রোদ ভালোবেসে
সূর্যাস্তে শালিনী নদী তটে
কতবার স্পর্শ করেছে
দেহজ সন্তানের ফুলের শরীর
অনুভবের অনেক দুঃখদগ্ধ সেই জীবন
জাগিয়েছিলো একাকী
রূপালী জ্যোৎস্নার তরঙ্গে
জন্ম ও মৃত্যুর মধ্য উপত্যকা
ডেকেছে প্রান্তর হতে
এই পাহাড়ি নদীর রুক্ষ দেশে
মিতালী আলোর কণ্ঠস্বর
ছিল করুন অথচ হতাশা বিহীন
প্রতিটি নিশ্চিত পদক্ষেপে
সন্ধ্যা নেমে এলে
আমি সেই স্নেহের হাতের স্পর্শ পাই
মাথার শিয়রে জেগে আছে
অরুন্ধতী নক্ষত্রের সেই আলো
একে একে ভালোবাসার সকলে চলে গেলে
শেষের সেদিন তোমাকে চেয়েছি রাত্রির নির্জন পথে;
তুমি কি তা জানো!
বিদায়ের গন্ধে ছিল
প্রপিতামহের প্রাচীন হাতের ছোঁয়া;
সেই অন্ধকারের দুঃখিত বাতাসে
চেয়েছি তোমার স্নেহের হাত
তুমি কি তা জানো!
সহজ পথের ধূলোতে
সেদিনো কেঁপেছে
আদিম শ্মশানের চিতা
তুমি তো জানো না
কবির অন্তরে মরমী প্রদীপ জ্বলে
আদিম চিতার আগুনের মতো
পাশে তুমি আছো
আমি হেঁটে যাবো
প্রতিশ্রুতির অনেক পথ
চোখ খুলে দেখো
ঐশ্বর্য্যের ভিতর
ধৈর্য্যের ভীষণ স্থিরতা
হাহাকারের প্রগাঢ় ব্যাথা
জীবনের প্রতিক্ষণে
কবিকে জাগিয়ে রাখে
গভীর প্রজ্ঞার দেশে
তুমি তো জানোনা এইসব কিছু
শুধু পাশে থেকে হেঁটে চলো
বসন্ত পোড়ানো জীবনের স্বাদ নিতে
মনেরেখো
তুমি এক কবির প্রেমিকা
ভিতরে ভিতরে এই গর্বে পূর্ণ হও
চলো যায় অনন্তের উৎস মুলে
যেখানে মরমী প্রদীপ জীবন আলোকিত করে
সেই আমাদের কুঞ্জবন
যেখানে অশ্বথ বটের হৃদয় শাখে
চেতনা বিহীন জীর্ণ দেহ তুচ্ছ মনে হয়
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem