নিজেকে দেখেছি তোমার গভীরে
স্মৃতির ভেতর অদম্য বিস্ময়ে ফুটে ওঠো
মস্তিষ্কের স্নায়ু ছিঁড়ে বিস্মৃত প্রাচীন
গ্রন্থি গুলো আদিম সমুদ্রে ভাসে
সেই আদি মানবীর কণ্ঠস্বরে আমি উড়ে যাবো
বিনম্র গানের অনুভূতির প্রদেশে
সেই খানে শুনেছি ঝর্ণার প্রপাতে
অরণ্যজোৎস্নার মায়াবী সুর
আদিম বৃক্ষের আত্মজের সে সঙ্গীত বাজে এই বুকে...
অপার্থিব পৃথিবীর এককোনে নিজের খেয়ালে তারা
গেয়ে যায় গান চিরকাল নিজস্ব ঝংকারে
সুদূর জলজ জীবনের মর্মতলে
রয়েছে নক্ষত্র সূর্যের ভাঙ্গন ধরা
রৌদ্রের বিমূর্ত অনন্তের ধারা -
আর আমরা ধাবিত হয়েছি
অনেক ফাল্গুন জোৎস্নার
শালবনের রুপালি সেই দেশে
পার্থিব ঐশ্বর্যে নশ্বর ধূলিতে
উড়ে গেছি বসন্ত বাতাসে
নিঝুম পুকুর পাড়ের কাঁকুড়ে
রাস্তার দুপাশে পতঙ্গদের
প্রেমধুলো কলরোলে শুনেছি
বাঁচার অমোঘ প্রার্থনা
উজ্জ্বল চোখের গহ্বরে দেখেছি শিকড়ের বেদনার
অধিভৌতিক আলো ও অন্ধকার
মনেহয় বিষাদ পাথুরে
রোদ্দুরের রক্তে জন্মেছিলো-
গাঢ আত্মনিবেদনে হৃদয়ের রক্তপদ্ম
কোনোএক অপার্থিব পৃথিবীর ঐশ্বর্যের এককোনে
দাঁড়িয়ে দেখেছি অনন্ত প্রবাহে অসীমের বিপুল ধুলোর খেলা...
তারপর মনেহয়
বিস্ময়ে ফুটেছি ফুল তোমার গভীরে...
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem