বিকেলের ছায়া কাঁপতে কাঁপতে নেমে এলো সন্ধ্যা| পৌরাণিক ধ্বংসস্তূপে বিষণ্ণ সূর্যের রক্তিম ভাঙ্গন বুক ভাঙে| গোধূলি বেলার এমন রঙিন নৈশব্দ্যে প্রাচীন আকাশ উড়িয়ে আনে শিকড়ের মজ্জা| ধীরে ধীরে সুস্থির জীবন ভেসে আসে মহুয়ার ভীষণ নিবিড়ে|
উদাসিনী আদিবাসী গ্রাম পূর্ণিমার রাতে জেগে ওঠে পাহাড়তলীতে| মনেহয় মাটির নিয়ম নিয়ম বাঁধেনি কোনোদিন, এইখানে বন্য ফুলের পাপড়ি ভেসে যায় রাত্রির আলোতে, শব্দ ও সুরের বিচ্ছুরণ অস্তিত্বে খেলেছে চিরকাল| সকল শব্দেরা পাহাড়ি পাথুরে হাড়ে লেগে ফিরে আসে হৃৎপিণ্ডের নরম মাংসে|
এখানে জীবনের স্বাদে অপচয় নেই| কাঁকুড়ে রুক্ষতা মধ্যরাতে নিজেকে ঘনিষ্ট করে নোনতা শরীরে| চন্দ্রবাতাসে চুম্বন পিপাসা জাগলে শবর যুবতী নিজস্ব শরীর বিন্যাসে আপন পুরুষের সাথে ভেসে ওঠে সফেন জ্যোৎস্নার নিকানো উঠোনে|
রাত্রির ক্ষুধার্থ অন্ধকার ঠেলে পৌরাণিক ভগ্নস্তূপে আলো এসে নিঃশব্দে দাঁড়ায়, যুবতীর যোনিঘ্রান রাখালের মনে সচ্ছলতা আনে, রাতপাখিদের চিৎকারে সত্ত্বার গভীরে নিষিক্ত হয় সে মনের দেশ |
সমূহ উঠোন জুড়ে ঝরে থাকে মহুয়ার ফুল| সুগভীর ছায়ার আঁধারে রক্তিম সূর্যের ভাঙা আলো এইভাবে রাত্রির শরীরে সুস্থির জীবন বুনে আনন্দ ও বেদনার সুপ্রাচীন প্রাণে- পাহাড়তলীর এই শাল পলাশের দেশে|
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem