স্মৃতির রূপসী তরঙ্গ
অজ্ঞাত বেদনার অন্তরালে ঝরে
শ্বেতপদ্মের নীরব ছায়ার অন্তরে
রেখে দিও আমার সকল দুঃখ
তুমি স্পর্শ দাও -
হাত রাখো বিষাদের শূন্য বুকে
শুকনো কপাল চুমে
চৈত্রের নিস্পত্র বৃক্ষের স্থবির প্রাণ ছুঁয়ে
মানুষের রক্তের যন্ত্রণা ঘোচাও এমন দিনে
এসো, সামুদ্রিক বাতাসের মতো জনস্রোতে...
তোমার চোখের রূপ রয়ে গেলো দিনান্তের পরে...
আমাদের সকল আকাঙ্খা একদিন জেগেছিলো—
অন্ধকারে শীতের গভীর স্তব্ধ অবসরে,
রাতের সুদীর্ঘ আলিঙ্গনে
মুগ্ধ অতীতের হু-হু প্রান্তরের
মেঠো সুরের দুঃখিত গানের গুঞ্জন
গভীর সত্ত্বার কঠিন পাঁজর বিদ্ধ করে…
বিস্মৃত অস্থির নগর দ্বারকা
একদিন সময়ের সুদীর্ঘ মরমী আঘাতে বিলীন হয়েছিল
দেখেছি শুধুই মনের গভীরে
নীল যমুনার জলে দিনের অন্তিম
সূর্য খেলে চলে নিজের বিবেকে বেদনার অন্তরালে…
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem