সূর্যাস্তে হলুদ সন্ধ্যার ঘুমন্ত দেহে
অঘ্রানের ফসল নীরবে জেগে আছে
মাটির আদিম প্রত্নউষ্ণতার অনুভবে
অস্তিত্বের শিকড় নিজেকে পোড়ায়
এই সুদূর পার্বত্য অন্ধকারে
পাকা ফসলের বুকের
অতল গহ্বরের শেষ শূন্যে
সৃষ্টির জন্মের সেই সুর বাজে
ভোরের সূর্যের ঘনিষ্ট আলোতে
মৃত ফুল পাতা ওড়ে নদীর নির্জন তটে
একদিন নরম শিশিরে
হেমন্তের করুন বাতাসে খেলেছিলো তারা
চাষীর দুঃখিত ঘাম ঝরেছে শুকনো মাঠে
তবু তীব্র হাহাকারের বিদীর্ণ প্রাণ
বীজ বুনেছে হিমের রাতে
নাভিমূলের সুদীর্ঘ বিষাদের কথা
পিতৃপুরুষের অশ্রুভরা দিন রয়ে গেছে
ইতিহাসের উজ্জ্বল গৌরবের অন্ধকারে
জোৎস্না চষা মাটির বিশীর্ণ পাঁজরের
প্রান্ত রেখা আর প্রদীপের ম্লান শিখায় চাষার রক্তের
প্রাচীন প্রতিবিম্ব অঘ্রানের ফসলের দেহে ফুটে ওঠে
হৃদয়ের অতল গহ্বরে
সৃষ্টির অস্তিত্ব নিজেকে পোড়ায়
দৃষ্টির তরঙ্গে পৃথিবীর নীল ধুলো
বেদনার প্রতিধ্বনির ভেতর
জেগে থাকে চিরকাল
জলজ মাংসের দেহে
জন্ম ও মৃত্যুর শীতলতা ছুঁয়ে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem