ক্লান্ত অন্ধকারে অঘ্রানের শীতল বেদনা ছুঁয়ে জেগেছি একাকী
নিজের ছড়ানো অপ্রেমের মাটির উপর
কতবার ভেবেছি শীতের আঁধারে নির্জন নদীজলে
ব্যাথার করুন বুকে মধ্যরাতের নিজস্ব প্রেম গিঁথে দিয়ে
হেঁটে যাবো অনেক দূরের পথ
বিষন্ন বেলার ভাঙা আলোর শূন্যতা মুছে দিয়ে
জীবনের ক্লান্তির প্রস্তাব গুলি বহমান সময়ের চেতনা
বিদীর্ণ করে ভেসেছে সূর্যের দেশে
এইভাবে ভোরের রোদ্দুর ছুঁয়ে
আমাদের প্রাণ উড়ে গেছে
পৃথিবীর নীরব প্রেমের ছায়ার ভেতর
সৃষ্টির জন্মের সুর শুনে নিতে
নৈঃশব্দ্যের প্রতিভা রক্তের গভীরে সংহত হয়েছে বহুবার
ছায়ামাখা প্রাচীন গল্পের দেহে
হাহাকারের প্রান্তরে নিজেকে আতীব্র খুঁজে নিতে
একাকার হয়েছি এভাবে যন্ত্রনার ধূসর সময়ে
বহু জ্যোৎস্নার উজ্জ্বল রাত্রিতে সৃষ্টির সুদূর লাবণ্য
আত্মজের প্রাণে বিঁধে দিতে
তারপর একদিন সন্তানের হিম বুকে
জন্মের উষ্ণতা জেগেছে মাটির কোলে
সেদিনের বহুচেনা গোধূলি আলোর সুদীর্ঘ প্রাচীন ছন্দে
আমরা খেলেছি স্বাভাবিক রক্তের নিয়মে
শিকড়ের মাটি ছিড়ে দুঃখের এমন নির্বাসিত রাত্রি
আসেনি কখনো প্রাণের ছায়ার আদিম ভূমিতে
পৃথিবীর সকল মাঠের বাতাসে ঘাসের গন্ধে
রোদ্দুরে ঘুরেছে বহু শালিখের প্রাণ
রুক্ষ রেখার তন্তুতে সেই জীবনের ঘনিষ্ট সংলাপে
একে অপরের কাছে নিজেদের বিনিময় করেছি দুর্দিনে
একদিন চেতনার সুগভীর দিনে
ব্যাথার করুণ বুকে মধ্যরাতের নিজস্ব প্রেম গিঁথে দিয়ে
বিষন্ন বেলার ভাঙা আলোর শূন্যতা মুছে
রেখে যাবো আমাদের রক্তবীজ
এই ভালোবাসার বিস্তৃত উদাসী ছায়ার মাঠেমাঠে...
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem