মৃত বিস্মৃত শতাব্দী
অন্ধকারে শান্ত হয়ে ঝরে
মানুষের ভালোবাসা পেতে চেয়ে
ব্যথার শুকনো বুক চিরে
অন্তহীন ইচ্ছা গুলো আমাকে জাগায়—
বুদ্ধ পূর্ণিমার রাতে অন্য এক ভূবন খুঁজেছি
অন্ধ বাউলের মতো
যেখানে রাত্রির মন্দিরে
একটি প্রসন্ন প্রদীপ জ্বলে আজো
গুহার গভীরে মঙ্গল কলস
আর আল্পনার অন্তরালে যে জীবন ছিল
দিন শেষের দিগন্তে খুঁজি
সৃষ্টির জন্মের সেই অভিজ্ঞান
ছুটতে ছুটতে ক্লান্ত হয়েছে মানুষ
বহু পথ হেঁটে এসে
রক্তাক্ত পা'দুটি তাদের
দুঃখের রাতে স্নেহের সান্ত্বনা
দেখেছি দু'চোখে কত যন্ত্রণার স্পষ্ট ডাক—
পাওয়া না পাওয়ার এক দীর্ঘ ইতিহাস
ক্রমে আরো দীর্ঘতর হতে থাকে
সকলকে ছুঁয়ে বেদনার নিজস্ব আগুনে
ছড়িয়ে গিয়েছি পৃথিবীর প্রথম রাত্রির বুকে
অনিবার্য তাড়নার ভারে নিরন্তরে বেজে উঠি-
অপরিচিতের ভীড়ে অথবা অদেখা শূন্যে
গোধূলির সুর বারবার মৃত শতাব্দীর
নরম শীতের রাতের আঁধারে
শান্ত হয়ে ঝরে আমার ভেতর
শেষমেষ বুক পেতেছি রাত্রির বুকে-বিদ্ধ করো আমাকে
আমি যে মরমী বাঁশির সুরে বাজতে চেয়েছি…
মানুষের ভালোবাসা পেয়ে
শুষ্ক মাটিকে নিজস্ব অশ্রুতে ভিজিয়ে
বাঁচতে চেয়েছি বহু বুদ্ধ পূর্ণিমার রাতে
মঙ্গল কলস আর আল্পনার অন্তরালে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem