সৃষ্টিশঙ্খের নিরুদ্দেশ শব্দ খুঁজেছিল যারা তারা বহু হিমযুগ মায়াগর্ভে রেখে বহু কষ্টে জন্ম দিল ডানাভাঙা অন্ধ প্রান্তিক মানুষের— সেদিন নাভিউপত্যকা হতে রক্তস্মৃতিবীজ মিথুন মুদ্রার কথা ভেবেছিলো— জরায়ুদেশের অমৃত ঝরেছিল অনুষ্টুপ ছন্দে—ছন্নছাড়া রাখাল ছড়াচ্ছিল প্রাকৃত সুরে আদি শীৎকার গাথা— নিভৃতে চণ্ডাল জীবন সেদিনের নির্বিকার গাঢ় সঙ্গমে হাড়রক্তমাংসে গেঁথে নিয়েছিল ঊরুসন্ধির যোনিফুল রহস্যময় অন্ধকারে রক্তের গভীরে— এখন অবিরল যুগ্ম হাহাকার প্রতিদিন বাঁশি ভাঙ্গে দহনে দহনে— বিবর্ণ ধুলোর বিষন্ন বন্দিশ অনাদরে ঢাকলো সমস্ত আকাশ— ফ্যাকাসে জীবনের কান্নাশব্দে ভেঙে গেলো নিটোল কঙ্কাল- হৃদয়ের গঠন— ক্ষমার ডাক মিলিয়ে গেছে ভুলে যাওয়া নষ্টলিপির জালে— সুখস্বপ্নভোর আসে না তো আর— জননী রাত্রি কাঁদে একাকিনী— স্ফীত কবন্ধসকাল নাভিশ্বাস ছাড়ে— নৌকার ভেতর জেলে মাঝিদের সন্ন্যাস জীবন আমাকে কাঁদলো গোধূলির গভীরে— প্রিয় মুখে প্রিয় কিছু কথা গোধূলির গভীরে ভাসে তবু আসে না তো কাছে বহু অভিমানে— এইভাবে নিরাশা এলো আমার বৈরাগী গ্রামে— অন্ধ পাহাড়ের কোলে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem