এই অন্ধকার পড়ে থাকবে প্রান্তরে
আমার ফেরার পথে বিগত যন্ত্রণা
হেঁটে যাবে আমারই সাথে
নৈঃশব্দের দিকে ফিরে ফিরে
খুঁজেছি নিজেকে
রৌদ্রগন্ধময়
আকাশের নিচে
সময়ের হাত ধরে নীল
নক্ষত্র নেমেছে
অঘ্রাণের হিম
জ্ঞানের বাতাসে
নারীর নরম মুখ জীবন ছুঁয়েছে
সেদিনও কার্তিকের ভোরে
বিস্তৃত বনের দেবদারুর সুদীর্ঘ পাতা
কুয়াশায় ভেজা
প্রাচীন পাহাড়ি গ্রাম মায়াবী মৌলিক স্বরে
ডেকেছে পিছন ফিরে আমার নিজস্ব
রাতে বারংবার
আমাদের ইতিহাস বিদায়ের আগে
হাতছানি দেয়
আর দেখি গর্ভবতী মেঘের গভীরে
ফুটে আছে প্রাণ, কালের অতীত দেহে
ক্লান্তির মেধাবী ছবি এইসব নির্জন ভাস্কর্য
ভেসে যায় আমাদের ছুঁয়ে
বিস্ময়ে দেখেছি
বুদ্ধের সমাধি
গোধূলির বীজে লুটিয়েছে
সূর্যাস্তের গভীর প্রাণের সুরে
আর গিঁথেছিল
দীর্ঘ অভিজ্ঞতা
তবুও ধমনী বেয়ে আজ নষ্ট প্রতিভা সৃষ্টির বসন্ত পশ্চিমে ফেলে ধ্বংস
করে আমাদের
ক্লান্তির মেধাবী ছবি ভেসে
যায় বারবার
যন্ত্রনার বিষ অন্ধকারে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem