নির্জন শৈশব পেতেছে বিশীর্ণ হাত প্রাকৃত প্রাণের কাছে
পরিযায়ী স্মৃতিছবি চালচিত্রছাই আর অপ্রাপ্তি, শরীর
বেয়ে ওঠে নামে
কিছু ক্ষতদাগ অগ্নিআয়ু
শেষ গোধূলির ধ্বংসজলে ভেসে গেলো উদাসীন
বাসনার কিছু স্রোত ছিলো
শূন্য উঠোনের পোড়া দাগে;
নিঝুম ঘুমের দেশ হতে
মিশরজন্মের শব্দডানা রাত্রি ঢেউয়ে
আচমন সেরে
মায়ের বুকের কষ্টকথা আজানের মতো পড়ে
যখনই তুলেছি হাতে অন্ধ নদীজল
কেঁপেছে একাকী মূলাধার
জন্ম অভিমানে িি
আর দেখি উঠে আসে অঞ্জলিতে চিত্রকল্পের ধূসর আলো
মেঘসুরে ভেসে আছি জ্যোৎস্না দেশে
এখন নিভন্ত চিতার আগুন ধোঁয়াগন্ধের চণ্ডাল
জীবনের কাছে হাঁটু গেড়ে প্রার্থনার গান গায়
দহনের সাথে সহবাসে নিজেকে পোড়াবে বোলে
দহনে দহনে দেববাতাসের গভীরে মানুষ জন্ম ওড়ে
অনন্ত ঘুমের দেশে শরীরে নিহিত চেতনা, কুয়াশা বনে
পৃথিবীর বেদনার দিনে
খেলা করে মাতৃ অন্ধকারে
স্মৃতির জীবন এইভাবে আমাদের ঘর বাঁধে
নির্বাসিত ইতিহাস নষ্ট অরণ্যের
কথা চেপে রাখে
নিসঙ্গ জীবন সম্ভ্রান্ত আগুনে পোড়ে
গর্ভজলে প্রতিভার পোড়াগন্ধ জন্ম জন্ম অন্নজল চেয়ে
নিজেকে জন্মের
প্রেমে ঋণী রাখে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem