পড়ন্ত বেলায় রয়ে গেল
শিকড়ের ঋণ
আঁধার মাখানো দেহের শুকনো দৃষ্টি
আবদ্ধ রইলো
চিরস্তব্ধ নীলে
বুকের বিনম্র আর্তনাদ চেতনার
স্রোতে রেখে গেল দিন শেষের অস্ফুট
তীব্র অভিজ্ঞান
নক্ষত্র রাত্রির
গানের আকাশ এইভাবে নেমে এসে
শরীরে ধূলোর
আস্তরণ ছুঁয়ে
আমার ভেতর
দীর্ঘ কবিতার জন্ম দেয়
সমস্ত প্রান্তর জুড়ে জীবনের শোক অশ্র স্বপ্ন নীরবেএকাকী খেলে মধ্যরাত্রিরধূসর জ্ঞানে
স্মৃতির আঘাতে জন্মের সমুহ দৃশ্য
রক্তের গভীরে মেলে ধরে
তখন বার্ধক্য শৈশবের হাত ধরে;
এসবে বুঝেছি
নৈঃশব্দ্যে সকল বেদনার
কাছে আমাদের ঋণ
সমৃদ্ধ করেছে আমাদের
শোকহীন অন্ধকারে জন্মান্তরগামী ভাষা মর্মলোকে গান গেয়ে ওঠে
অতীতের বহু
সুন্দর দুপুর কৃষ্ণচূড়া
শিমুল পলাশ
চৈত্রের করুণ কণ্ঠস্বর
পরিযায়ী এই
প্রাণের ভেতর
কোথাও স্থিরতা দিয়ে বাতাসের এক
নরম বিবেকী সুরে হৃদয়ের
গভীরে শব্দের
উজ্জ্বল গোধূলি দেশ আঁকে
পড়ন্ত বেলায় রয়ে গেল সহবাসের বিস্তীর্ণ
প্রত্ন গোধূলির লাল মাঠ
রয়ে গেল শিকড়ের নিভৃত যন্ত্রণা
আর কিছু ঋণ
সান্ত্বনার সুক্ষ্ম ধ্বনি ছুঁয়ে
রয়ে গেল আদিকালজ্ঞান ঋদ্ধ
বিশ্বাসের জন্ম অভিমান
বিমূর্ত মৃত্যুর
কঠিন আড়ালে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem