বিগত জন্মের গোধূলি আকাশ নামে
আজন্ম ঘুমিয়ে থাকা গ্রামের শরীরে
আমার কান্নার করুণ ধ্বনির বুকে
বিমর্ষ রাত্রিতে শীর্ণ হিমরেখা ফোটে হাহাকারের বাতাসে
নির্জন গোপনে ক্ষয়ে গিয়েছি যদিও একদিন
নীলাভ মৃত্যুকে ছুঁয়ে জেগেছি অনন্তে
দিনশেষে ফিরে ফিরে ভেসেছি মায়াবী জন্মজলে
দিগন্তে নিহিত নিঃসঙ্গের
সঙ্গীতের মতো অনুভূতির নিজস্ব স্তব্ধতার ভেতর বেজেছি
প্রাণের উত্তাপ চেয়ে নিভৃতের আদিম জঠরে
ঝরেছি মাটির দেহে খুব স্বাভাবিক
আজ দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর
শুধু অশ্রুপাত-
রমনে ক্লান্তির গূঢ় ছায়া
বারেবারে মানুষের অবসরের একান্ত দিন
ছেয়েছে জীবন আর মৃত্যুর চূড়ান্ত পথ জুড়ে
এখন বিমর্ষ পৃথিবীর রসে সিক্ত
মহীরুহ জীবনের দহন জড়িয়ে ধরে আমাদের আর
চোখের গহ্বরে দুঃখ- আলো - অন্ধকার
রক্তের বিবর্ণ জীবন যন্ত্রণা ছুঁয়ে
জন্মান্ধ পাখির কলতানে মিশে যায়
রাষ্ট্রের বিষাক্ত ক্ষমতার
ব্যাপ্তিতে কেঁদেছে
নাভির গভীরে যার ক্ষুধিত আকাশ
দুপুরের ভাতের পবিত্র প্রয়োজনে
সেইসব জীবন জেনেছে
ফুটপাতে পুড়ে যায় প্রাণ
হয়তো জেনেছে মানুষের
মুমূর্ষু কামনা - যৌণ যন্ত্রণা গিঁথেছে
ভ্রণবীজ জরায়ুর শোকার্ত অন্তরে
রাতের অনন্ত গর্ভে ব্যথিত প্রদীপে মানুষের ইতিহাস
একাকী দুঃখিত নদীর চরের মতো
জাগে নিরন্তর অভিমানে
হৃদয়ের অন্ধকারে প্রাকৃত জন্মের
গোধূলি আকাশ কেঁদে ওঠে
রাষ্ট্রের ক্ষমতা আর হত্যার ব্যাপ্তিতে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem