সূর্যাস্তে হলুদ সন্ধ্যা নামে বসন্তের প্রত্নদেহে
মাটির প্রাচীন ঘ্রাণ নিয়ে
নীরব মা পাখি শুষ্ক মুখে ফিরে আসে বাঁশবনে
পেটের প্রাচীনতম নক্ষত্র উষ্ণতা
চেয়েছিল কিছু শস্যদানা আর অনন্ত সবুজ
বিস্তৃত পার্বত্য অন্ধকারে
ম্লান মুখ চেয়ে থাকে বুকে নিহিত সূর্যের আদি সভ্যতার
ঘনিষ্ঠ সকালে-
আজ বেলাশেষে একাকার গৃহস্থের
রোদ্দুরে ছড়ানো ভাত প্রতিবিম্বের অতলে ভাসে
গর্ভের সন্তান কুরে কুরে
পাঁজরের ক্লান্ত প্রান্তরেখা খেয়ে গেছে
ইতিহাসের উজ্জ্বল পাতা
লেখেনি সেকথা
এইভাবে মৃত পাতা ওড়ে
বিস্মৃত অস্তিত্ব নিয়ে তার
একদিন মানবিক নদী রেখেছিল ফসলের প্রতিশ্রুতি
আত্মজের জন্মজলে স্নিগ্ধ মা পাখিরা সফলতা ছুঁয়েছিলো
অন্তর আকাশে ডেকে যায়
দেহাতি গন্ধের রান্নাঘর
অকাতরে চুঁয়ে চুঁয়ে পড়ে
নদী বৃক্ষ লতা ধান দূর্বা
দুঃখের রাত্রিতে
জেগে ওঠে শতাব্দীর তীক্ষ্ম অশরীরী কঠিন বিষাদ পোকা
কুরে কুরে খায় নির্জনে মা পাখিদের শীর্ণ বসন্ত কঙ্কাল
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem