বসন্তের দূর মাঠে ফুটে আছো তুমি
আকাশ অবধি বুনোপলাশের ফুল ছড়িয়েছে দৈববাণী
চারিদিকে একাকার রক্তবীজ মুক্ত হয় অজাত যোনির গর্ভ হতে
যেখানে ভোরের পৃথিবী জেগেছে অপ্সরার মুখের মতন
নাভির শেকড় যতদূর
ছুঁয়েছে ভেতর প্রাণের শব্দের সমুহ বন্ধনে
ততদূর ঘুরে ঘুরে রুক্ষ মানভূমের পাহাড়ি
ঝঙ্কার বেজেছে এখানের মানুষের বেদনার শুষ্ক দেহে
তুমি এলে ভালো লাগে মনেহয় ঘুমন্তের অনন্ত শরীরে
ধমনীর অন্ধকারে কারা যেন আলো জ্বালে বহুঘন মহুয়ার বনে
জলশূন্য শান্ত মাঠে পাহাড়ের ঘন
মহুয়া পলাশ বন জাগে হৃদপদ্মে জাগে চোখের শিয়োরে
একবার বছরের অনন্ত দিনের ধূ ধূ বুকে
সকলকে ফাঁকি দিয়ে দিওনা এমন করে মুছে
পাহাড়ি অস্তিত্ব, জল শূন্য নদীপথ
মহুয়ার ঘন বন ছেড়ে
উড়ে গেলে পাখি আরো দূর কোনো বনে
কি নিয়ে থাকবো
তাকাও আমার করুণ চোখের দিকে
আমাদের পোড়ো ঘর বাঁশের ছাউনি
ফুটিফাটা মাঠ, দুবেলা জোটেনা ভাত
দূরন্ত ঝড়ের মুখে আমাদের বাস
শুধু মাতৃজঠরের জরায়ুর আর্তনাদ ভেসে আছে চোখে
দিওনা এমন করে মুছে
আমাদের বসন্ত বাগান
উড়ে যাবে পাখি
আমরা তো এইসব নিয়ে
বেঁচে আছি চিরকাল বহু নুয়ে ঝুঁকে
আগুন ফুলের বন্য পাপড়ির বুকে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem