নির্জনে অতীত দুঃখের বিস্তৃত শব্দ ভেঙে ভেঙে
পোড়া ধানক্ষেত নদী তীরের ব্যর্থতা
অতিক্রম করে
বুঝেছে জ্যোৎস্নার
ভেতর বিষন্ন নদীজল
সাময়িক খেলে
প্রাকৃত বিশ্বের নাভি ছুঁয়ে
প্রত্নজলে রাত্রিগন্ধ আত্মপ্রতিকৃতি এঁকে যায় জলতলে
আদি রাখালের
বাঁশি রূপসীর
জলছায়া নিয়ে তার অজ্ঞাত শরীরে মিশে গিয়ে
নিজেকে জাগায়
সময়ের ক্ষয়ে
অনুভব এলে
রাখাল বালক শব্দহীন দেশে প্রানের আবর্তে
বুঝে নিয়েছিল
সূর্যের সোনালী কিরণ তুষার ঝঞ্ঝা
পৃথিবীতে চিরকাল আছে
কুয়াশা আবৃত মহাকালে
চেয়ে থেকে স্তব্ধ হাহাকারে
নিজেকে খুঁজেছে
মহৎ বেদনা আর অরণ্য হাওয়ার মুখরিত
জীবন সঙ্গীতে
এইভাবে সন্ধ্যা
শেষের বিনম্র শূন্যতা নিজের দিকে টেনে নিলে
প্রান্তরের ঘাসে নিজেকে এলিয়ে দিয়ে
ভেবেছে বিমূর্ত অস্তিত্বের
মহৎ বেদনা মানুষকে
পূর্ন করে— জীবনের আয়ুর কিনারে
কল্পগাছ অপঘাতে অন্ধকারে শব
হয়ে জেগে ওঠে
মাথামুখ নিয়ে মুখোমুখি
সেদিনের পূর্ন
দীর্ঘশ্বাসে যৌনদেবী রাত্রি
রেখায় গুঞ্জন তুলেছিল
কামরোষে দুঃখ জাগরণ
এনেছিল পুরাণের ছাইরেনু আদি
আতপের গন্ধে
রূপসীর আঁশজলে ভিজেছে দুচোখ
ভয়াবহ বিপর্যয়ে জন্মের ভেতর সাধকের
জীবন চেতনা পেয়ে বুঝেছে নিবিড়
ভালোবাসা আলো অন্ধকারে
যন্ত্রনার নীল বিষ মানুষকে মৃত্যুহীন করে
আরো কিছু কাল বেঁচে থেকে
নির্জনে রাত্রির
কাছে বলে গেলো
জীবন গভীরে অস্তিত্বের বেদনা বহন করে
সন্ধ্যার বাতাসে চোখের শুকনো ছায়া
শূণ্যের ভেতর জেগে থাকে
মেঘখুঁড়ে রাঙাছাই নেমে আসে প্রত্ন জলতলে
সেখানে দেখেছি অনেক হারানো ধ্বসে
আত্মজের প্রাণ ভাসে, পূবের আকাশে
উড়ে যায় জীবনের স্বাদ
মানুষকে মৃত্যুহীন করে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem