শীত সকালে গোয়ালঘরের ভাঙা দেওয়ালে চোখ পড়ে—কুয়াশা জন্মের জন্মান্ধ গৃহস্থের মা রান্নাঘরে স্নেহের হাত ছড়ায়—এখন শূন্য কানাপথে দহন বাজে—বিপন্ন উননে শালুকডাঁটা নেতিয়ে পড়ে না—দরাজ গলায় বলে উঠতো বৌমা ভাত বাড়ো—ছায়াকোণে কারা যেন বসে থাকতো—দেখি দীর্ঘদেহী শাল ভেঙে পড়লো ক্রমশ—চোখের কাছে দিনের ব্যস্ততা হিম হয়ে আসে—তেলচিটে প্রদীপের পোড়া গন্ধ শিশুবাতাসকে ঘন করেছিল একদিন। গোধূলি আলোর গভীরে প্রপিতামহের ডাক অজানা দিগন্তে মিলিয়ে যায়—
তারপর আবারও একদিন প্রবল বর্ষণ ।
নির্জন শ্মশানে মা কে স্পর্শ করে বসে থাকি—বিড়ির ধোঁয়া ক্রমশ মিলিয়ে যাচ্ছিল পানাবন পেরিয়ে নদীর ওইপারে।
পুকুর পাড়ের শ্যাওলা গন্ধ ছুঁয়ে কুলকাঁটা অতিক্রম করি—ফিরে এসে দেখি ঘুঁটেতে মায়ের আঙ্গুলের ছাপ—স্পর্শ করি চাপা অন্ধকারের শব্দ—কবিতা তুই এখন আমার গোয়ালঘরের ভাঙা দেওয়াল
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem