নাও নাও আমার সর্বস্ব নাও- যদিও জেনেছি
তোমাদের ক্ষমার নিষ্ঠুর ইতিহাস
সভ্যতার মাটির গভীর মেধাকে বিকৃত করে
বারবার ধ্বংস করেছে জন্মের বীজ...
আজ চেতনার
মাতৃ অন্ধকারে অবিরল
সন্তানের বুকে জমে থাকা রক্তঘ্রান
মুছে দিয়ে শেষ সন্ধ্যায় পবিত্র করে নিতে চাই
নাও নাও আমার সর্বস্ব—
স্মৃতির গোপন যন্ত্রনার ছাই, মরুভূমির মায়াবী জ্যোৎস্না
অন্তরঙ্গ মুহূর্তের অসফল জীর্ণ ছবি আর
যুবক শরীরে পড়ে থাকা
নক্ষত্রের কিছু ধুলো আলো
খুঁজেছি দহন উৎসবের পর আনন্দ উত্তাপ
গৌড়ের পূর্ণিমা রাত্রি আর নীরবতা
নাভিমূল ছিঁড়ে উঠে আসে প্রতিশ্রুত অন্ধকার
এখন শিকড় মাটির গভীর অভিমান সৃষ্টি স্থিতি জন্মরক্তগন্ধে
শরীরী শূন্যতা ঘিরে সকল দৃশ্যের অন্তরে অকাল মৃত্যু
বাতাসে ধূলোর মতো ওড়ে
কাল যাপনের সুদীর্ঘ রাত্রির গোপন অসুখে
ক্ষয়েছে প্রেম ও প্রজন্ম নৃশংস হত্যার দুর্বোধ্য
সফলতা ছুঁয়ে
অদূরে বিষের বিন্দু নিঃস্ব দিনের সমগ্র জুড়ে
আমাকে পোড়ায়
সকল শিশুর আহত শৈশব আর
তার বেদনার প্রতিভাস
শূন্যের বিবর্ণ মাঠে - চিরদগ্ধ বুকে
শব্দহীন বেজে ওঠে মানুষের সমগ্রতা নিয়ে
মৃত্যুর করুণ
মুহূর্ত আদিম আর্তনাদে
দহন উৎসবে নিজেকে নীরবে খোঁজে
নাও নাও আমার সর্বস্ব
দাও পর্ণকুটিরের সেই
আদিম জীবন
শোকার্ত মেঘলা
আকাশের নীচে রয়ে যাবো
যেখানে অনেক ইতিহাস
আজো মানবিক
মানুষের স্পষ্ট কোলাহলে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem