নাভিকুণ্ড রয়ে গেল গাঁথা
আশ্বিন শ্মশানে
উন্মাদ অশ্রুর
বহু প্রত্ন রক্ত
করোটি আকাশ জুড়ে ক্ষতদাগে খেলে
নষ্ট স্মৃতিকথা উষ্ণ চালের মতন ওঠে নামে
ছেঁড়া ছেঁড়া মাংসছাই অস্থিকণা হয়তো খুঁজেছে চেনা মুখ
চিতার সমীপে
প্রেমের শূন্যতা
কেবলই ঘোরে উদাসীন পুকুরের
অন্ধ বাসনার
মায়াবী জলজ রেখা ঘিরে
সেই স্তব্ধ মুখ মাথা রেখে গেল মেধা চিহ্ন কিছু
নিঝুম কাফান উড়ে গেল
নৈশব্দের দিকে
আমার পাহাড়ি গ্রামে মৃত পাথরের প্রতিচ্ছবি
আজ ক্লান্ত গানে ভাসে দহনে দহনে
আমার পরাগরেণুর ভেতর রয়ে গেল বহু ঈশ্বরের
নৈবেদ্য, তোমার নাভিপদ্ম স্থির চোখ
দুরের পশ্চিম কোণে দেখেছি চিতার
চারণ প্রবাহে
মঙ্গল কাব্যের সকল অক্ষর মেঘ ঋতু বুকে
জ্বলজ্বল করে
তীর বিদ্ধ স্মৃতি হয়ে যায় পরিযায়ী
পৈশাচী প্রাকৃত অন্ধকারে
কৌশিকী রাত্রিতে
নৈঋত আকাশ থেকে ভালোবাসা সঙ্গম বিষাদ
আরও সকল ফসিলের
প্রতিশ্রুতি বাজে একতারার একাকী তর্জনীতে
আশ্বিন নক্ষত্র আলো নাভিকুন্ডে মিশে রয়ে গেল
উন্মাদ করোটি জুড়ে শ্মশান ভূমির ক্ষতদেশে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem