এখানেই ছিল সেই চন্দ্রদগ্ধা গৃহ
পাশে ছিল আশ্বিনের কৃষ্ণাষ্টমী রাত্রির উঠোনে
আমার বিষাদ দেহবৃক্ষ
পশ্চিম সন্ধ্যার আলোর চূড়ায় ঝরে পড়ছিল
হলুদ পাতার
শোকার্ত জালিকা
রাতের পাখিরা মাঠ থেকে ফিরে এলে
জীবনের বহুমুখী তীক্ষ্ণ
কামড়ে কুণ্ডলী জেগে ধুম্রময়ীর নূপুরে সঁপে
দিচ্ছিলো সবুজ নিয়ম সংসার মূলাধার গাত্রে
আমিও জেগেছি
সেদিন অস্পষ্ট মায়ার যুবতী ভোরে
ঘুঘু ডাকা সেই একচালা ঘর আজ
স্মৃতির বিস্ময়
মেধার চেতনে দেহবৃক্ষের বন্ধনে বন্ধনে নির্মিত
পাতা ও পরাগ ফুলরেনু— উড়ে গেছে
জন্মঋণ আর আতুরের গন্ধ মেখে
বহুদূর কোনো এক অতল অন্তের দিকে যেখানে রেবতী
শতভিষা নক্ষত্রেরা জ্বলজ্বল করে
বিষ্টিভদ্রা রাতে
মরুগ্রাসী ছায়া মিলিয়ে গেছিলো অনুরাধা আলোর গভীরে
অতীত সপ্তমী সন্ধ্যায় পানের পাতা ধানদূর্বা
শব্দহীন বাজে নৈঃশব্দের প্রত্নজলে
যদিও আমার চন্দ্রদগ্ধা দেহবৃক্ষ
একদিন কৃষ্ণাষ্টমী রাত্রির উঠোনে
বহু মহাসপ্তমীর সন্ধ্যায় তাড়িত মানুষের
সুবিখ্যাত হৃদয়ের আনন্দ বিষাদ গেয়েছিল
মধুচন্দনের বনে
সেদিনের গানসুর দেহভাষা দীর্ঘ রক্তমুখ
আশ্বিন সন্ধ্যায় অনুরাধার মায়াবী ছায়াপথ
কান্নামাখা মুখে
আমাকে জাগায়
সেই মনিঘর লুপ্তোদ্ধারে—
আমাকে ভাসায় বুকের প্রাচীনতম নদীজলে
সেই মনিঘর লুপ্তোদ্ধারে...
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem