দুরন্ত রাত্রির
বুকে শালিনীর জল কাঁপে
নদী আত্মা বাউলের অন্ধ
একতারা ধরে
গভীর জলজ ধুলোটে নিঃসঙ্গ এক
বৃত্তে রাখালিয়া বাঁশি বাজে মায়াবী অমৃতস্রাবে
মরমী দহন সেই দিনে
অঞ্জলি ভরেছে দেবজলে
আজ জীবনের দিনে দিনে বিষলতা
ছড়ালে জানিনা
কি অন্তিম সুখে
ধর্মরক্ত বারুদের পোড়া গন্ধে কুসুমের দেশ
ঘুমালো ক্লান্তিতে
জ্বরাতুর আর্দ্র মুখ চেয়ে থাকে শূন্যে নির্নিমেষ
বৃহত্তর দুঃখগুলি কোন চেতনে বিমূর্ত হলো
আমাদের হৃদয়ের কোণে
আমি তো জেনেছি
প্রাচীন গ্রন্থের ধর্ম রোদ্দুর ছড়ানো—
সে তো মানুষের সংরক্ষিত ইতিহাস
সে তো পৃথিবীর বাড়ন্ত সংসারে একান্তে শান্তির
নম্র অহংকার
যীশুর রক্তাক্ত মুখের করুণা ভাসে
শালিনীর ছোট্ট ফুলবুকে
আগুনের তীরে গাঢ়বর্ন ধানক্ষেতে—
দুঃখিত নদীর তটে আজ অশ্রুমতী
পৃথিবীর হাড়মাংস পুড়বে কি তবে শেষ রাতে!
অন্তিম সঙ্গম
হয়নি তো শেষ বাউলের মৃদু কন্ঠে
যেখানে কৃষ্ণের বাঁশি বাজে
স্মৃতির শিকড় বৃষ্টির রাত্রিতে চন্দন উত্তাপ
এনেছিলো, তারপর দিয়ে গেছে বহু সফলতা
আর প্রেমিকার
গভীর দেহের
ভেতর অর্পণ অধিকার
সূর্যোদয়ে প্রতিভার সহজ সন্তান
কখনো আজান দিয়ে মেঘলা ভোরের
দিগন্ত ডেকেছে
কখনো বা লক্ষ্মীছাপ এঁকে
উঠোন ভরেছে
ধ্বংসের উপমা রেখে যাব কোন ক্রোধে
শালিনীর নদীখাতে গহীন অমৃতস্রাবে শান্ত
বাউলের একতারা লালনের দেশে
সুফিগান গায় মেঘরাগে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem