নিসঙ্গ কান্নার ভেতর কার্তিক সন্ধ্যার প্রাচীন শান্ত মাঠে
তোমার পায়ের শব্দ পাই
বিলুপ্ত অতীত অন্ধকার অভিজ্ঞতা এনে দেয়
এইসব ফিরে ফিরে আসা প্রতিদিনে ছায়াপ্রাণ কাঁপে
অসমাপ্ত ছিন্ন পাণ্ডুলিপি ডাকে বারবার—স্বপ্ন ও মেধার
শেষ প্রতিচ্ছবি একদিন
এঁকেছি এখানে
আজ একখণ্ড কালোমেঘ— নির্জনতা
জীবনের এতো
স্তব্ধ মৃতমুখ
পৃথুল শূন্যতা
অন্তরালে হাহাকারে ঝরে
জানি শালিনীর
কালো মৃতজলে
দুখের রেখার বিস্তারে তুমিও দহনে দহনে
জ্বেলেছো নিজেকে...
ধুলো ওড়া হিমশীতে এতো ক্লান্তি রাখবো কোথায়!
থমকে দাঁড়িয়ে
থাকা ঘুমস্মৃতি
একদিন বিদায়ের দিকে
ক্রমশ অস্পষ্ট হবে জানি
তবু দূর প্রান্তদেশের অন্তিম ক্লান্তির দংশন
রাখবো কোথায়...
সন্ধ্যার সমাধি
চিরন্তন বেদনার বাঁশবন নদী
নিস্তব্ধ রাগিণী
রাখবো কোথায়
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem