ছবির গভীরে তীক্ষ্ণ রেখার বিষাদ
ছায়াতাপে উড়ে যায় পাখি
সুদীর্ঘ মগ্নতা নেমে আসে
সমূহ জগৎ অনন্ত অন্তকে খুটে
জীবনের অমৃত ও বিষ
স্মৃতি ও বিস্মৃতি
বয়ে যায় বহমান কৃষ্ণ নদীজলে
গোধূলীর সন্ধ্যা ব্যাক্তিগত হয় বিপর্যস্ত আলো অন্ধকারে
পৃথিবীর চিত্রপটে পোড়া
মাংস দগ্ধ কাম গন্ধ একেছিল যারা
তাদের দেখেছি অন্ধ রাতে
গুঢ় মহাশূন্যের ভেতর
সেইদিন প্রকৃত কবিতা
বসন্ত বাতাসে পরাবাস্তবতা- জীবন শেষের
রাত্রি ছুঁয়েছিল সকালের
দৃশ্যমান নরম রোদ্দুরে
তবু জীবনের বেঁচে থাকা থেকেযায় সকালের দৃশ্যমান নরম রোদ্দুরে
পিচ্ছল পথের এই বিস্তৃত নিথর অন্ধকারে
শ্মশানের শান্ত প্রাচীন মন্দির আর
জন্ম ও মৃত্যুর ধুলোর গভীর সুরে
মেধাবী গর্ভের গুল্মে যত
বুনোফুল শীর্ণ সাঁকো আছে
তাদের অস্তিত্ব হৃদয়ে নিয়েছি আজ- মনে হয়—
কবির অতীত পবিত্র স্তব্ধতা নিয়ে
মহাকাল জেগে থাকে মৃত্যদৃশ্যজলে...
আদীম নির্জন শরীরের
নক্ষত্র আলোয় বিষাদের
দুঃসহ দ্বন্দের মৃত্যু হয়
শব্দের উন্মার্গে নিঃসময়ে
বিপরীত মুখে
পৃথিবীর অন্ধকার ঘাসে
ভ্রূণের নূপুর বাজে…
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem