ফসলের ঋণ পড়ে আছে
সন্ধ্যার নিজস্ব শ্রবনা নক্ষত্র মেঘে
মৃত্যুঘট নাভিপদ্ম শ্মশানের অন্ধকারে ডাকে…
চিতাছাই কাশবন অতিক্রম করে ছুঁয়ে যায়
হেমন্তের মাটির গভীর মজ্জা, চেতনার জন্ম দিতে
পিতৃপুরুষের বীজ শুন্যতার শোকে
আত্মজের অপেক্ষায় অশরীরী হিম রুক্ষ রক্তঅশ্রু গাঁথে
গোধূলি মিড়ের দুখী দেহ
বালিজলে তুলে আনে প্রত্নযোনি - জন্মের উজ্জ্বল শিলালিপি
দেখো পোড়া আঁতুড়ঘরের দগ্ধ মায়া
হু হু মাঠে আমার রক্তাক্ত জন্মচিত্রে
অভিশপ্ত কান্নাসুর ঢালে
মায়াবী জীবন গর্ভ ছিঁড়ে
হলুদ সূর্যাস্তে জন্মবীজ এঁকে দিলে
নীল শুক্রকীটে নক্ষত্র যোনির ঘ্রান
প্রাচীন বৃত্তান্ত বয়ে আনে…
নির্জন শিকড়ে অযত্নের নিঃস্ব প্রান ভারী হলে
ফসলের ঋণে- প্রিয় শব্দ জেগে থাকে
নীরব নদীর আত্মঘাতী স্মৃতিজলে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem