অন্তিম জীবাশ্ম পড়ে আছে
রয়ে গেছে সেই জন্মদাগ
অনিবার্য ক্ষয়
দেখি শুধু মৃত্যুর উল্লাস
বিবর্ণ স্রোতের
অনন্ত পশ্চিমে মিশিয়েছে আমাদের
দূরের নদীর শরীরে নূপুর বাজে
সেই সুর শুনি এই দ্বীপভূমে শুয়ে
কত হিমযুগ বৃষ্টিরাতে
নাভিকুন্ড ছেয়েছে আকাশ
ক্ষতচিহ্ন রক্তবিন্দু জল
শব্দ ভেঙে ভেঙে
আতীব্র কল্লোল জাগিয়েছে
প্রস্তর বুকের দুখী গর্ভজাল ছিঁড়ে
তুমিও হয়তো চেয়েছিলে
ভিন্নমুখ উষ্ণ জলস্রোতে মিশে যেতে
খুলির গোপন দাহপত্রে
তবে কি শুধুই
মৃতস্মৃতিজলের অতল বক্ষে দ্বাদশীর ক্ষীণ চাঁদ ভাসে
জানিনা নির্জনে কার নীলকরতল মধ্যরাত নষ্ট করে
আর বিষাদের ছায়া ছুঁয়ে থাকে কথা ও কাহিনী
আজন্ম চোখের জলে নিজস্ব পাঁজরে
গূঢ় কতকথা প্রিয়মুখ
সূর্যাস্তের গন্ধ আমার ডানার বিস্তারে শৃঙ্গারচিহ্ন আঁকে
আমি সারাদিন চেনা কথামুখ খুঁজি
অবশেষে অন্ধকারে কবিতার ছোট্ট শস্যকণা
ভাঙা নদীপাড়ে অন্তিম জীবাশ্ম হতে উঠে আসে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem