করাঙ্কের ক্ষীণ ছায়া ঘিরে
প্রাকৃত আঁধার প্রত্যন্ত প্রদেশে নেমে এসেছিল
ব্যক্তিগত সংহিতা রচিত
হচ্ছিল সেদিন
আকাশগঙ্গার মাটিগন্ধে
গর্ভজাল ছিঁড়ে ক্রমাগত মাতৃরেখা
আরো এক জঠরের দিকে
মিলিয়ে যাচ্ছিল স্থির স্নায়ুর অন্তরে
মনে পড়ছিল—
শ্মশান বটের বাগানে দশমী চাঁদ
আর দূরশূন্যে
এক নদীজল
সেদিন যাবার বেলায় নিঃশব্দে ফসলের শিষে
তর্পণ সেরেছে
সন্ন্যাসীর ভেতরের বিদগ্ধ অস্তিত্ব
ভীষ্মের শায়িত শরীরের
গোপন যন্ত্রণা
মেঘের ভেতর কান্না মেখে ঝরছিল অবিরল
সেইদিন অন্ধকার বীজের গভীরে নিহিত ক্লান্তির দেহ
তীব্র নির্বাসন চেয়েছিল স্মৃতিদগ্ধ কলস্বরা নীলজলে
আত্মরতিময় মর্মমূল যে বৈরাগ্যে
মন্দিরার শব্দে ভেঙে ভেঙে যায় তার
দীর্ঘ হাতছানি মেধার শরীর জুড়ে
শিকড়ে শিরায় ভেসে যায় অন্তিম বৃত্তের দিকে
আদিম মৃত্যুর রক্তজলে
পিতার শূন্যতা ছেয়ে থাকে
এইভাবে বিবর্ণ গোধূলি—
অমৃত পুরুষ
নির্জন আলোয় চূড়ান্ত সত্ত্বার অভিজ্ঞান খোঁজে
একান্ত প্রকৃত কান্নাস্তবে
ঋষির প্রাচীন করাঙ্কের
ক্ষীণ ছায়া ঘিরে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem