দেশভাগের সুবর্ণজয়ন্তী
উৎসর্গ: অলোক বিশ্বাস
চাঁদের জংধরা আলোয় হাওয়ার চারকোণ জুড়ে
সবুজ আধভিজে ঘাস মাড়িয়ে এগোচ্ছিল আমাদের ফুরফুরে ছায়া
হলুদ আকাশে পাখি-মারা বসন্তঋতু ঝুলছিল গলায় চামড়ার বকলেসে-বাঁধা গলিটায়
.
খেলো খোলো রব উঠেছে
একটু পরেই সদর দরোজা বন্ধ করে নেবে সায়া তুলে ভ্রমর দেখাবে জবাফুল
বলবে বাড়ি চললে নাকি হে প্রবাহ এই তো এলো বলে আকাশের নালি বেয়ে শহুরে আষাঢ়
কেন প্রতিদিন কাকভোরে রবীন্দ্রনাথের গান
কন্ঠের বেলো ফুলিয়ে রোমন্হন করো মাফলারে মোড়া গানখানি
.
টেনে আনছে ছ্যাকরামারা সূর্যকে সাতটা মরখুটে প্যাংলাহাড় ঘোড়া
যাদের হাড় থেকে আত্মাটুকু চাঁছা আর মাথার ওপর বুকের পাশাপাশি
আকাশ উড়ছিল মুখ টিপেটিপে বলল নদীটাকে নিংড়ে কী হাল করেছিস অ্যাঁ
.
যত ছুঁই অসুখ তত বাড়ে ঠিক যেখানটায় বাঁদিকের কুলুঙ্গিতে
চোখবুজে ভোটেশ্বর বসে আছেন ঘুম ভেঙে বিরক্ত বাহনের কাঁধে
.
ঐ ঐ ঐ ঐ ভেলভেট-যোনি রূপসী তেহাতা ছাদপাখার তলায়
ভিনিগারে ধোয়া খোঁপায় ছেকল তুলে
বিবাহসভায় এককোণে বসে নাক খূঁটছিলেন নরম বাতাসে মোড়া নখে
.
জিভের চারিদিকে ঝড় পাকিয়ে রয়েছে তখন আমার শিং সামনে দিকে ছুঁচোলো ছিল কিনা
আর ওনার কানের লতিতে সোডিয়াম ভেপারের কণার আলোয়
জোর করে হাঁ-মুখ খুলে সোনার শ্বদাঁত উপড়ে তোলা হয়েছিল
.
সে এক বীজহীন ধাতুরস সে-বাগানে বাতাস দোল খেয়েছিল
কী করি কী করি ভাবতে-ভাবতে থুতনি-জোড়া ব্যথায় কাহিল
গলাবন্ধ কোটের ফুলদানির রাঙে খেলছে বিজলিপ্রভা আঁশ
.
হ্যাঁগা ও সুস্বাদ স্বর্গ
কোথায় উড়ব আমি এতগুলো ডানা নিয়ে
.
নদীর আলোয় গাধা ভাসছে দুকান খাড়া জনাকয় আকাশজীবি বুড়ো
নিন্দা বিনিময় করে ঘাড় নেড়ে
এই ঘাসে বিকেলের শিশুদের হাসি পড়ে আছে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem