হাঁ-মুখে রক্ত
বঞ্চিতের বেঞ্চে বসে করছি না রোদেপোড়া দুখি হাহুতাশ
গালে-দাড়ি ঘোলা চোখে বিষাদ-নাটকে ভুগছি না;
নই নেপথ্যের কীট যে মর্গেতে হামাগুড়ি দেবো ।
অসুর দানব দেবদেবি এমনকি মানুষেরা আমারই লালার নির্যাস-
এই তো মুখের হাঁ-এ টলটলে শিশিরের রক্তেভেজা দীপায়িত লালা ।
ময়দানে মাঝরাতে ঘাসে পাশাপাশি শুয়ে
বর্ণময় গোঙানির বুড়ো ভবঘুরে জ্ঞান দিল:
‘'বিশ্বাসের কাল্পনিক ধোঁয়া ছিঁড়ে বাইরে বেরোও;
জেনে রাখা ভালো কেন কাকেদের
আজও নির্বংশ কোকিলেরা করতে পারেনি:
ব্রহ্মাণ্ড তো কো-এড মুলুক
রতির ভ্রমেতে মশগুল সত্য-
সগুম্ফ বাস্তবে
সর্বজন শ্রদ্ধেয় শ্যামাঙ্গী বোতলের মদ
জিভের কণায় যতো গরলের স্মৃতি
ততো অবৈকল্যে তুমি প্রেমিকার রাজনীতি ভোগো ।''
কবরাভ অন্ধকারে ব্যাকব্রাশ ভিজে ঘাসে
ব্যাদিত হাঁ-মুখে শুয়ে আছি ।
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem