এক ফোঁটাও রং আমার জন্য,
আমার আবার ফুটে ওঠার জন্য
আর বরাদ্দ নেই।
আজ আমার জগৎ ধূসর,
রঙহীন।
আমি যেন কোন মরুভূমির মাঝে
নির্বাসিত শুষ্ক প্রাণ,
মজা নদীর ভাঙা স্রোত যেন,
যেন বসন্ত না বোঝা এক বুনো কোকিল।
আমি যেন ধ্বংস লীলার স্ফূর্তি,
অসহিষ্ণুতার দৃশ্যমান মূর্তি।
অগ্রগামী জীবনের
পুরানো রং সব হারিয়ে
ধীরে ধীরে ফিকে আসছি।
চরিত্রের কাটা-ছেঁড়া করে
লাভ লোকসানের হিসেব কষে,
কি প্রাপ্য তার নিখুঁত তালিকা তৈরি
চলেছে নিরন্তর,
মহাবিশ্বের জাবেদা খাতায়।
আমি জানি কি করেছি,
কি আমার প্রাপ্য।
ভয় হয়, পারানির অভাব মেটাব কিভাবে?
হতাশা হই,
অর্থহীন জীবনের দিকে চেয়ে।
নষ্ট করা সময়ের বিদ্রুপ
অন্তরে গড়ে চলেছে যন্ত্রণার জাল।
দেরি হয়ে গেছে।
তবু বুঝেছি!
সঞ্চয় করে রাখা উচিত ছিল,
তুলে রাখা উচিত ছিল অন্তরের কোঠায়
অমূল্য রতন ভেবে।
গাঢ় করে দিয়ে মেখে নেওয়া উচিত ছিল
অনুভবের অদৃশ্য হাত দিয়ে,
কালান্তরে জন্য।
জাপটে ধরা যন্ত্রণার জাল
ছিন্নভিন্ন করার জন্য।
হায়! করিনি।
তবু দুঃখ নেই মোটেও,
কারণ আমি তো জানি
সব সমারোহ ক্ষয়িষ্ণু।
সব সমারোহ অন্ত পিপাসু।
আমি জানি
বিরাট ব্রহ্মাণ্ডসহ আমিও
অজানা অন্তের রোমিও।
নিবিড় আলিঙ্গন
শুধু সময়ের অপেক্ষা।
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem