আদি টেম্পটেশান
মগজের বাঁদিকে ছান্দস, যা-কিছু যোনির মতো দুই ফাঁক
বহু অন্ধকার তাহাদের অন্ধকর্ম লয়ে আসে, যা কিছু যোনির মতো
হাসপাতালের পাঁচিলের পারে, যা কোনো যোনিতে বাঁধা ছিল বহুক্ষণ
যে বাসি রক্তমাখা তুলো, ওই রক্তই আমি, আকর্ষণের দেহতাপ রয়েছে তথায়
দেহ তো পাঠবস্তু, যোনির মতন দুই ফাঁক, পড়িতে না জানিলে
শবকে আগুন চাটে, ওই যে আঁস্তাকুড়েতে মেয়ে ভ্রুণ
ও-ভ্রূণের নাড়ির জমাট রক্তই আমি, একটি মানবী নষ্ট হয়ে গেল
শ্মশানে-শ্মশানে ছাইয়ে আমি আছি, বহুযুগ, ঘায়ের পীড়ার রঙে
মটরে ছোলায় অড়হরে মুগের মুসুরের দু'ফাঁক যোনির অঙ্কুরে আমাকে পাবেন
প্রতিটি যোনি দিয়ে গর্ভে গিয়েছি আমি
ঝড়ের চোখের ঝাপটের মতো
বাজার স্তনকে নিয়ে গেছে
বাজার যোনিকে নিয়ে গেছে, বাজার প্রেমকে নিয়ে গেছে
মুচকি দুঃখ-কষ্টের কিশোরীকে তুলে নিয়ে গেছে
সব নেবে, ওরা সব তুলে নিয়ে যাবে, প্রেম ভালোবাসা স্নেহ আদরের ছোঁয়া
ব্যথা কেন বলেনাকো কোথায় কবে কোনখানে আচমকা আঘাত দেবে
মরার পরের যন্ত্রণায়, লোভে উজ্জ্বল মুখগুলো
আসবাব বলতে হাসি, মানুষের সংজ্ঞায় কিন্তু চুল নেই
মোমবাতিদের গান আছে, শীতের অলস সূর্যাস্ত, না,
তা আমি নই, আদালতে পেশ করা ছোরার রক্তই আমি, যোনিতে বসানো ছোরা
ব্যবসায়ীদের পোষা প্রেত ও প্রেতিনীরা, দরোজার ওই দিকে যারা
বোমা মেরে থামিয়েছে সুফি গায়কের উল্লাস, তার ছিন্নভিন্ন দেহে
গান হয়ে আছি এখনও, তপ্ত যোনির মতো
দেয়াল-ঘড়িতে যে গির্জার ঘণ্টাধ্বনি মাঝরাতে স্বপ্ন ভেঙে জাগে
স্লিপিং পিলেতে মোড়া ঘুম, চেতনার রঙিন ম্যাকাও পাখি দল বেঁধে
কোথাও-না-কোথাও ধ্বংস হচ্ছে কিছু না কিছু, তার হুঁশিয়ারি
শ্মশানের ডোমও জানতে চায়, ‘এনাকে কেউ কখনও ভালোবেসে ছিল'
মাংস থেকে পাথরে যাবার মাঝে অহল্যার হাফ-বয়েল দেহে
মাংসের দু'ফাঁক যোনি পাথর হয়নি তো, আকর্ষণের দেহতাপ
আমি তাই, সমুদ্রের তীরে মরে পড়ে-থাকা শিশুর পৃথিবীহীনতা….
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem