আমি রুমী,
যখন ঘর ছেড়ে তেজ দীপ্ত পায়ে,
আমি ও আমরা মিলে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ি,
আমাদের একমাত্র অস্ত্র ছিল সাহস।
সাথে ছিল দৃঢ় বিশ্বাস,
যাই হোক না কেন, আমরা জিতব নিশ্চয়ই।
সবাই মিলে এক স্লোগানে মেতেছিলাম সেদিন,
শত্রুর বুকে বিঁধে দিয়েছিলাম হাজারো গুলি,
রক্তস্রোতে ভূমি হয়েছিল প্লাবিত,
সে ভয়ংকর দিনেও এক ঝিলিক হাসি ফুটেছিল
আমার ঠোঁটের কোণে।
তারা আমার বুক ঝাঁঝরা করে দিল নিমেষেই,
আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলাম ঠিকই,
তারা কিন্তু আমার হাসি কেঁড়ে নিতে পারেনি।
হাসিমাখা মুখে, এক বুক প্রশান্তি নিয়ে
চির নিদ্রায় শায়িত হয়েছিলাম বাংলা মায়ের বুকে।
আমি সেদিন মরিনি, আমি অমরত্ব লাভ করেছিলাম।
আমি জানতাম আমরা জিতব,
এবং আমরা জিতেছিলাম!
বাংলার মানুষ ফিরে পেয়েছে তাদের গৌরব,
প্রাণ ফিরে পেয়েছে আমার প্রাণের বাংলাদেশ।
আজ সেই দেশের শিশু তোমরা,
হয়ে উঠবে আগামীর ভাষা।
তোমরা এগিয়ে যাবে, থেমে থাকবে না কভু,
কখনও হতাশ হলে বা খুব বেশি কষ্ট পেলে,
স্মরণ করো আমাকে,
আমি ছিলাম, আছি, বেঁচে থাকবো তোমাদের হৃদয়ে।
আমি যে সাহসিকতার প্রতীক,
যোগাবো তোমাদের মধ্যে সাহস!
লোকে বলে আমি নায়ক,
কারণ আমি পালাইনি, আমি লড়েছি!
আমি জানি তোমরা শুধু নায়কে আবদ্ধ থাকবে না,
এক এক জন হয়ে উঠবে মহানায়ক।
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem