সব বিদ্যাই গুরুমুখী ।
একদিন গুরুর কাছে পৌঁছে জানতে চাইলাম, গুরু আছে কি কোন খবর?
গুরু বললেন, একটা ছেড়ে দু'টো ধর ।
পথে বেরিয়ে বেশ খানিকটা আসার পর মনে হল
ওই রে ব্যাপারটা তো ঠিক বোঝা যাচ্ছে না
মানে একটা একেবারেই ছাড়তে হবে, নাকি আগেরটাও বহাল থাকবে
গুরুকে জিজ্ঞেশ করতেই বললেন, "ছ'টা ধর ।"
ধেত্তেরিকা অত ধরাধরির কী আছে?
আর ধরতেই যদি হয় তো "ছ'টা" কেন?
সাত, দশ, পঞ্চাশ, এক'শ পাঁচ'শ, দু'হাজার
পাঁচ হাজার লক্ষ কোটি নয় কেন?
প্রশ্নটা গুরুকে করেই ফেললাম
হাসিমুখে উনি বললেন, তোর সাংখ্য রোগ হয়েছে
বহুমাত্রিক যোগ এই রোগের একমাত্র ঔষধি
ভোগ-শৃঙ্গে শীর্ষাসন কর
যতক্ষণ না বদ রক্তটা ঝলকে ঝলকে নাক-মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে ।
শীর্ষাসনে আছি;
আমার পায়ের তালুতে নক্ষত্র বালিকারা এসে আকাশ-খেলনা-বাটি খেলে
বদরক্তে আমার চুঁইয়ে নামছে সংসার-বিদ্যা...
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem