সকাল থেকে ভেবে চলেছি হেস্ত-নেস্ত করব ।
মাঝরাত । ঘরে নীল আলো ।
তীব্র আবেগে থর থর করে উঠছি ।
এমন রাতে যেমন হয় আর কী!
বাইরে তুমুল ঝড়-বৃষ্টি ।
গাছের ডাল ভাঙছে মড় মড় ।
দরজায় টোকা । কে আসবে?
ঝড়ের আওয়াজ নিশ্চয় ।
ফের, ফের টোকা ।
দরজা ভেঙে হুড়মুড় করে ঢুকে পড়ল ঝড় ।
ধাতস্থ হতে বুঝলাম ঝড় না,
ঝড়ের চেয়েও ভয়ঙ্কর দশাসই দুই নারী
বৃষ্টি শরীরের ভাস্কর্যকে এত স্পষ্ট তুলেছে যে
আমার মতো বেহায়াও চোখ তুলে তাকাতে পারছে না
আরো বাকি ছিল ।
পট পট করে যাবতীয় পোশাক-পরিচ্ছদ খুলে ফেলল ।
ক্ষুধার্ত বাঘিনীর মতো গর গর করছে ।
চোখে শিকারীর ধূর্ত দৃষ্টি ।
একটু আগেই জোলো বাতাসে ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা লাগছিল ।
ঘরে এখন যেন লু বইছে ।
একজন বলল, আমি হেস্ত ।
আর একজন বলল, আমি নেস্ত ।
দু'জনে একসঙ্গে বলল, আমাদের তো করার জন্যে ডেকেছিলে । করো ।
উরিব্বাস কী চেহারা!
আমাকে টেনিস বলের তো ফু দিয়ে উড়িয়ে দিতে পারে ।
ভয়ে কুঁকড়ে এইটুকু
দরজা আগলে দাঁড়িয়ে আছে ।
লোহার গ্রীল লাগানো মরচে ধরা জানালা দিয়েই দো-তলা থেকে লাফ মারলাম ।
জানালাসহ হুড়মুড়িয়ে পড়লাম জল-কাদায়
মাথায় গেঁথে গেছে একটা শিক
আর একটা শিক চোখে ঢুকে মাথার পিছন দিকে বেরিয়ে গেছে;
জানালা সহ জল-কাদা ভেঙে দিকজ্ঞানহারা ছুটে চললাম,
থামতে পারছি না....
পিছনে তাড়া করছে দু'জোড়া পায়ের আওয়াজ
মাটি কাঁপছে...
আমার বুক কাঁপছে
ছুটে চলেছি...
ঊর্দ্ধশ্বাসে ছুটে চলেছি...।
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem