পলিথিনের ঝুপড়ির মধ্যে এক বর্ষার রাতে
মাল-খেয়ে টঙ হয়ে থাকা সৎ বাপ
মেয়ের ওপরে চড়াও হয়েছিল ।
মায়ের জন্যে পারেনি ।
বাপ অবশ্য এই মায়ের এই সাঙ্ঘাতিক অপরাধে মনঃক্ষুন্ন
মাকে লাশ বানিয়ে দেয় ।
সে এক অন্য শহরের গল্প ।
তারপর মেয়ে আর সতীত্ব রক্ষা করতে পারেনি ।
শখ-আহ্লাদ মিটিয়ে মেয়েকে চড়া দামে বাজারে বেচে দেয় বাপ ।
মন্দের ভালো ।
ভালো শাড়ী-গইয়না-খাবার জুটল
বেচেছিল বলেই না সাগর পারের দেশ দেখা হয়েছিল;
উড়োজাহাজ চড়া হয়েছিল ।
এ সব তো গরিবের স্বপ্ন ।
সে কত হাত-ফেরতা ।
কত ঘাটের নোনা জ্ল।
কষাটে জল ।
গোরুর বয়স হলে যেমন মাংসের দাম কমে যায়,
বয়স হতেই মালতী মাসিরও দাম কমে গেল ।
শরীরটা এমন ছিবড়ে হয়ে গিয়েছিল যে বুড়ো গোরুর দামেও
যখন বিক্রি হচ্ছিল না তখন ভিক্ষে করতে শুরু করে;
একদিন ভিক্ষে করতে এসেই গল্পটা মায়ের কাছে বলেছিল মাসি ।
তারপর থেকেই আমাদের বাড়িতে কাজের লোক ।
বাড়িতেই থাকে ।
আমি মালতী মাসিকে মালতী মাসি বলি না ।
গঙ্গামাসি বলে ডাকি ।
মা আমার ডাক তা শুনে খুব অবাক হয়েছিল ।
ধীরে ধীরে মায়ের অন্ধকার মুখে আলো পড়ে ।
সেই থেকে মা-ও মাসিকে গঙ্গা নামেই ডাকে ।
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem