একটা চাকরি পাইয়ে দাও ঠাকুর Poem by SRIRANJI ARATISANKAR

একটা চাকরি পাইয়ে দাও ঠাকুর

Rating: 5.0

একটা চাকরি পাইয়ে দাও ঠাকুর
সকাল-সন্ধে তোমাকে জল-বাতাসা দেব,
না না ভীম নাগের কড়া পাক আর নকুড়ের জল-ভরা দেব
আমার যে শালা খুব ভদ্রলোক সাজার শখ!
কী বললে তোমার খেমতা নেই?
তুমি শুধু 'বর' দিতে পারো ।
আমি বর নিয়ে কী করব প্রভু? আমি কী হোমো?
বরং দেবেই যদি তাহলে বেশ ডাগর -ডোগর ‘কনে' দাও
শ্রীদেবী বা মাধুরী দীক্ষিতের মতো হয় যেন;
সানি লিওনের মতো হলেও চলবে ।
সবই তো তোমার ফ্যাকটরির মাল ।
সাল্পাই না থাকলে টাটকা হাতে-গরম বানিয়ে দিও ঠাকুর
তোমার যে বেশ হাত-যশ আছে সে জানি ।
বেশ অপ্সরা অপ্সরা ।
দেখলে সব শালা যেন ভির্মি খায়
ভদদর লোক আর মহাপুরুষদের যেন নোলা শক শক করে ।
ধার করা মোটর সাইকেলে মাল্টাকে পিছে চাপিয়ে
পাঁই করে ধুলো উড়িয়ে
ওদের মুখে ভক করে ধুঁয়ো ছেঁড়ে একটু র‍্যালা নেব ।
দু'চার দিন খেলা-ধুলো করি ।
ফোকটে তো আর চাইছি না ।
যা যা ব লেছি বরং বেশিই দেব ।
বড় কষ্টে আছি ঠাকুর
খেলনা পেলে ঐ পেটের জ্বালা একটু ভুলে থাকতাম আর কী

কী বললে ও সব লাফড়ায় তুমি নেই?

আমার শরীরে ষাঁড়ের রক্ত আছে?
কী বললে আমি ফুলের মর্ম আমি বুঝি না?
ছাগল?
ফুল পাতা চিবিয়ে খাই?
তবে রে!
এতক্ষণ ভদদরলোকের মতো বললাম তো তাই হেবি তেল হয়ে গেল ।
শা্লা তুমি শক্তের ভক্ত ।
না তড়পালে সুবুদ্ধি হয় না ।
দাঁড়াও প্যাঁড়া খাওয়াচ্ছি ।
আমার নাম এই তল্লাটে সবাই জানে ।
নাম শুনে অনেকেই কাপড়ে-চোপড়ে করে?
ভগবান বলে খুব রবাব?
শালা কেষ্ট সেজে বেন্দাবনে কেলো করার সময় মনে ছিল না?
মানুষেরও একটু-আধটু ইন্টু-মিন্টু করার ইচ্ছে হতে পারে
আবে ক'পেটি ঘুষ চাই পিঁয়াজি না করে ঝেড়ে কাস ।
বেশি ভ্যানতাড়া করলে খালাস হয়ে যাবি ।
চেম্বার দেখেছিস চেম্বার ।
লক্ষ্মীর জন্যে থানের বরাত দে ।
ঘি সোজা আঙুলে না উঠলে বেঁকানোর ট্যাকটিকস জানা আছে ...

COMMENTS OF THE POEM
READ THIS POEM IN OTHER LANGUAGES
Close
Error Success