দুপুরটা শেষ না হতেই আজকাল ঝুপ করে
সন্ধ্যা নামে, অন্ধকার করে নগরের বুক..
ব্যস্ত শহরটা হঠাৎই ধুসর রঙে সেজে
খুব বিষন্নতায় দেয় ডুব।
জানালা ঘেঁষে, কার্নিশ ছুঁয়ে বয়ে যায়
খুব মাঘের বাতাস
গভীর কোন বেদনা নিয়ে একলা জাগে
নক্ষত্রহীন ওই দুরের আকাশ...
তারপর ধীরে ধীরে আরও গাঢ় হয় রাত
ভেজা জানালার ওপাশটা
হয়ে যায় ধোয়াশা কুয়াশায়
রাস্তার ওপরের দোকানীরাও বাতি নিভিয়ে
দোকান গুটায়
ঘুমন্ত শহরের বুকে হঠাৎ দুই একটা
ছুটন্ত গাড়ি নিরবতা ভাঙে
ঘরে ফেরা ব্যস্ততায়..
কোথাও কোনো কোনো জানালায়
তবু বাতি জলে থাকে
হয়তো জাগে কেউ কেউ ইনসমনিয়ায়,
আমিও এইসব রাতে,
ঘুম হীন জাগি অস্হিরতায়...
জন্মালেই মরে যেতে হয়
ভাবনাটা হঠাৎই খুব কুরে কুরে খায়
বেঁচে থাকার আনন্দের চেয়ে
হঠাৎ মরে যাওয়ার ভয়টা
জেকে বসে খুব...
মুহূর্তেই অর্থহীন লাগে
জীবনের যতো সাচ্ছন্দ আর সুখ
মনে হয় তবে কেন এই বেঁচে থাকা
ভালো বাসা-বাসি
সংসার সংসার খেলা
কেন মিছে পাওয়া না পাওয়ার বেদনা
হা-হুতাসা হ্রদয়ের জ্বালা
দিনের শেষে ঝরে যাওয়া পাতার মতো
ঝরে যাবো..
চলে যাবো..
ফিরবোনা যদি কোনো দিন আর
তবে কেন এতো তোলপাড়!
বিগ্রহ-যুদ্ধ ও ঝড়....
সবার জন্য তো নির্ধারত হয়েই আছে
একটি সাড়ে তিনহাতের ঘর....
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem
জন্মালেই মরে যেতে হয়//সুন্দর লিখনি যদিও মৃত্যু নিয়ে বিষণ্ণ ভাবপ্রকাশ /// জীবাত্মা মাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে; স্বাদ গ্রহণ তবে নয় মরণ; সে সাড়ে তিন হাতের ঘরটাও একটা জগত; যে জগতে আর মৃত্যু নেই!