গোধূলি বেলায় শালিনীর জলের উপর
উড়ে যায় পাখিরা
চৈত্রের শালবনে তাদের নীলাভ ডানার ভিতর
জীবনের নানা রঙ দেখে ভেবেছি বিস্ময়ে—
পরিণত দুঃখ, গাঢ় গুঢ় বেদনার অন্তরে
আনন্দ এনেছিলো একদিন,
আমাদের মনের সন্ধ্যার
আকাশের নীরব দুঃখই ছিল সৃষ্টির কারণ
তারপর—
মজ্জার প্রাচীনতম সুষুম্নার রস
আনন্দে মিলিত হয়েছিলো উৎসে আর
আমরা জীবন বুনেছি অক্লান্ত;
অবিরল অস্তিত্বের অনন্ত প্রান্তরে
কিছু অব্যক্ত যন্ত্রণা মন্থর গতিতে
বইছে উদাসী নদীর শীতল জলে…
পৃথিবীর পথে পথে নীল পাখিরা
বসন্ত আনে, উড়ে যায় জ্যোৎস্নার নরম অন্ধকার রাতে
হৃদয়ের গভীর শোকের মতো
মনে হয় -
মানুষের শোকে মানুষকে স্বচ্ছ করে
আমাদের ঘুমের দেশের এইসব পাখিরা উড়েছে চিরকাল;
চেতনার জন্ম দিতে মনের মাটিতে
শালিনীর শান্ত জলে
সেইসব চেতনার বেদনা সৃষ্টির উৎসে মিশে গিয়ে
উদাসী আনন্দে খেলা করে…
ভোর রাতে জীবনের নানা রঙ ভেসে ওঠে
সেই আবছা নদীর জলে
মনেহয়-
নীরব দুঃখের ভিতর সৃষ্টির উৎস
প্রাচীন আনন্দে অনন্তে মিলিত হয়
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem
মানুষের শোকে মানুষকে স্বচ্ছ করে পৃথিবীর পথে সেইসব নীল পাখিরা বসন্তে উড়ে যায় জ্যোৎস্না রাতে ///সুন্দর, সাবলীল জীবনধর্মী লিখনি