অতীতের বাতাসের বহমান অন্ধকারে
প্রাণের শীতল বীজ পড়ন্ত জোৎস্নার
আদিম আলোতে উড়ে যায়
দুরারোগ্য পালক ঝরেছে অনিবার্য
আকাশের নদীবুকে
নিঃশব্দে স্পন্দিত নৈরাশ্যের ডাকে
ফিরে ফিরে আসি, বিশুদ্ধ প্রাচীর দিয়ে
তোমাকে ঘিরতে
আমার পবিত্র প্রার্থনার শব্দেরা বিধ্বস্ত
হয়ে কবিতার কঠিন দুর্দিন দেশে পড়ে থেকেছে
আমার নাফুরানো সুরের বিদ্যুৎবেদনা
উড়ন্ত পাখিদের দুঃখিত ডানার শব্দে জেগে উঠে
অনুভবের অমৃত স্বাদ পেতে
পৃথিবীর সমূহ ক্ষয়ের বিন্দু আমার নাডিতে কাঁপে...
বহমান অন্ধকারে নির্বাসিত ফুল তার আঁধারের জমাট
মাটির থেকে সকল খনিজ তুলে এনে নিজেকে সমৃদ্ধ করে
বিস্তৃত আলোর দিকে...
তীক্ষ্ণ ব্যাথার মেঘলা দিনে শালিনীর ঝড়ে
পাঁজরের ভগ্নস্তূপে
কঙ্কাল খুলির অফুরান উত্তাপে গলন্ত এই
মোমের শরীর তোমাকে আতীব্র চাই
তুমি এস, ফুটে ওঠো এবার আমার শরীরে, প্রহর শেষে
চলে যাবো, যা কিছু সুন্দর সব দিয়ে; বহু প্রেমে তাদের নিজস্ব করে নিয়ে
সযত্নে দিয়েছি রেখে তোমাদের জন্য
তারপর চিতার অন্তিম মায়াবী আলোর ডাক
পশ্চিমের শুন্য হতে ভেসে এলে নিয়ে যাবে নির্দিষ্ট দুঃখের দিনে...
আজ এই সন্ধ্যায় শিখরের অভিজ্ঞতা শুন্য মনে হয়
শুধু রয়ে যায় শিশিরের ভোর গোধূলির নদী...
অবিরল ভালোবাসার ভূমিতে অনুভব-
স্তব্ধ মন্দিরের প্রাণে জেগে ওঠে...
বিস্ময়ে দেখছি -
বিস্মৃত দুঃখের শোকের শ্মশান আর হরিধ্বনি
আমার ভেতরে বাজে
সন্ধ্যার প্রদীপে হলুদ শিখার অন্তরে তুমিওজ্বলেছো নিবিড়
কঠিন তীব্রতা নিয়ে জ্বলে ওঠো আরো
ধুলোঘ্রানে আলোর সুদীর্ঘ রেখা ছুঁয়ে মানুষের
তৈরী প্রাচীন গম্বুজে কতকাল বাঁচবে আরোও!
তুমি এসো স্পর্শদাও জ্বলে ওঠো
শরীরের সমস্ত বাগান জুড়ে সমুদ্র দেহের
পুরানো কণিকা গন্ধে...
জীবনের গানে অস্তিত্বের ইতিহাস নিজস্ব মরমী বার্তা
লিখেনা কখনো, ছিড়ে ফেলে শেষ সূর্য ডুবে গেলে....
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem
আজ এই সন্ধ্যায় শিখরের অভিজ্ঞতা শুন্য মনে হয় শুধু রয়ে যায় শিশিরের ভোর গোধূলির নদী.../// excellent poetic expression